কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে এবং তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত অভিযোগপত্র দেওয়ার পাশাপাশি রামিসা হত্যা মামলার মতো অপ্রতিম হত্যার বিচারও দ্রুত শেষ হবে। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
অপ্রতিম হত্যাকা-কে ‘মর্মান্তিক ঘটনা’ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালায় পুলিশ। প্রথমে তিনজন এবং পরে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বয়স যাচাই করা হচ্ছে। কারও বয়স ১৮ বছরের নিচে হতে পারে। জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথি পরীক্ষা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সঙ্গে অপ্রতিমের আগে থেকেই পরিচয় ছিল জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা অনেকটা কিশোর অপরাধ চক্রের মতো চলাফেরা করত। অপ্রতিমের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ও ওঠাবসা ছিল, একসঙ্গে আড্ডাও দিত। তাদের কেউ কেউ অপ্রতিমের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছরের বড় বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসা মোবাইল ফোনটি প্রধান সন্দেহভাজন তুহিনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যান্য আলামতও জব্দ করেছে পুলিশ। এখন ফরেনসিক বিশ্লেষণসহ পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা পুলিশের প্রশংসা করতে পারি। তারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে এবং আলামতসহ অন্যান্য বিষয় জব্দ করতে পেরেছে। আশা করি, রামিসা হত্যার বিচারের মতো এই হত্যাকা-ের বিচারও সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।