ঠিকঠাক সতেজ ত্বক

আর্দ্রতা কম হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। আর বেশি হলে ত্বক তৈলাক্ত হয়ে ব্রণ ও র‌্যাশ দেখা দেয়। আর্দ্রতা ত্বকের জন্য খুবই প্রয়োজন। কতটুকু হলে আদর্শ হবে সেটা বলা যায় না। কারণ বয়স, ত্বকের ধরন, আবহাওয়া, বংশধারা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর অনেকটাই নির্ভর করে। ডার্মাটোলজিস্টদের মতে, ত্বকের জন্য আদর্শ হিউমিডিটি  লেভেল হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ ভাগ। অতিরিক্ত বা কম আর্দ্রতা ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই ত্বকের জন্য ব্যালেন্সড আর্দ্রতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিখেছেন রূপবিশেষজ্ঞ খালেদা পারভীন সিনথিয়া

কীভাবে যত্ন নেবেন

ত্বক সতেজ রাখতে হলে প্রথমেই জেনে নিতে হবে ত্বকের ধরন। তখন নিজেই বুঝতে পারবেন কোন ধরনের আবহাওয়ায় আপনার ত্বক কেমন আচরণ করে। সে অনুযায়ী ত্বকের যতœ ও প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে। যদি দেখেন আপনার ত্বক তৈলাক্ত বা মিশ্র তাহলে আবহাওয়ার ধরনের ওপর একটু বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ অতিরিক্ত আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকে ব্রণ এবং র‌্যাশ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আবহাওয়া অতিরিক্ত আর্দ্র থাকলে ত্বকের অতিরিক্ত যতœ নিতে হবে। ঘাম ও ধুলাবালিতে যাতে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ না হয়ে যায় তাই অয়েল ফ্রি ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে।

অতিরিক্ত আর্দ্র আবহাওয়ায় ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি। এই সময়ে হালকা ধরনের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে যা ত্বককে সফট ও হাইড্রেশনও জোগাবে। আর কম আর্দ্র আবহাওয়া যেহেতু ত্বক অনেক বেশি শুষ্ক এবং টানটান অনুভূত হয় তাই ভারী ও ঘন ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে।

আর্দ্রতা বেশি হোক বা কম সানস্ক্রিন ব্যবহার জরুরি। এছাড়া, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বককে বাঁচাতে ভালো মানের সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। সপ্তাহে একদিন  ফেসিয়াল করতে পারেন। ফেসিয়াল ত্বকের মরা চামড়া, ব্ল্যাক ও হোয়াইট হেইডস থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ফলে ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার থাকে। ফেসিয়াল করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে স্টিমিং। যার ফলে ত্বকের লোমকূপ মুক্ত থাকে। যার ফলে পরবর্তী সময়ে স্ক্রাবিং করলে ত্বকের অতিরিক্ত ময়লা এবং মরা চামড়া দূর হয়ে ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার হয়। এছাড়া ফেসিয়ালের ফেইস মাস্ক ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখে। তাই সপ্তাহে একদিন অবশ্যই ফেসিয়াল করতে পারেন। এ ধরনের ফেসিয়াল ঘরেই করা যাবে।