আজ পবিত্র ফাতেহা-ই ইয়াজদাহম

পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম আজ বুধবার। সারা দেশে দিবসটি ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হচ্ছে। বড়পীর হজরত আবদুল কাদির জিলানি (রহ.)-এর ওফাত (মৃত্যু দিন) দিবস মুসলিম সুফিদের কাছে ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ নামে পরিচিত।

‘ফাতেহা’ বলতে দোয়া অনুষ্ঠানকে বোঝানো হয়। ‘ইয়াজদাহম’ ফারসি শব্দ এর অর্থ এগারো। আর ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম’ বলতে রবিউস সানি মাসের এগারোতম দিনকে বোঝানো হয়; যেদিন বড়পীর আবদুল কাদির জিলানি (রহ.) মৃত্যুবরণ করেন।

ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মসজিদ, খানকা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, মিলাদ, দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে আবদুল কাদের জিলানি (রহ.)-এর জীবন, আধ্যাত্মিক সাধনা, ধর্মীয় শিক্ষা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা করা হয়।

বড় পীর হজরত আবদুল কাদির জিলানী (রহঃ)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওফাতের প্রায় ৫০০ বছর পর, যখন মুসলিম সমাজ বিভ্রান্তি ও বিপথগামিতার মুখোমুখি, তখন ইসলামের নতুন আলো নিয়ে আবির্ভূত হন বড় পীর হজরত আবদুল কাদির জিলানী। ৪৭০ হিজরিতে ইরানের জিলান নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার নাম সৈয়দ আবু সালেহ এবং মায়ের নাম বিবি ফাতেমা।

তিনি তৎকালীন সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র বাগদাদে পাড়ি জমান এবং মহান পীর হজরত আবু সাঈদ মাখরুমির (রহ.)-এর কাছে থেকে  সুফিবাদ ও মারেফাতের পরম জ্ঞান লাভ করে খেলাফত প্রাপ্ত হন। তিনি পথহারা মানুষকে পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর পথে ফিরিয়ে এনে পীরদের শিরোমণি হিসেবে সর্বজনবিদিত হন।