রাত্রি ভেঙে ছত্রখান,
হুতোম প্যাঁচার নাকে, কিংবা
শীতের কুত্তার গলা যদিচ
মধ্যরাতে রাতকে কাঁদায়,
সব ঝুরঝুর,
সত্য হয় ভয়ের চাদর।
অদৃশ্যের হাত
ফোরসেপ দিয়ে যদি
জোর-চিমটি মারে
কলিজায় অথবা মগজে,
যেইখানে ভূত-প্রেত
স্থিরচিত্রে বেঁধেছে শৈশব!
অই-যে সংস্কারের কু, আর লুকিয়ে থাকতেই পারে না।
না পানি, না আয়না, তবু
স্পষ্টতর ছড়ায়িত বিম্ব-বিশদে
নড়ে ওঠে কলাপাতা,
কে কাকে দেখায় ভয়?
নিজেই নিজেকে?
যেমনটা সাপ দেখলে লাগত!
নগর-নিবাস অযোগ্য হতেই পারে,
যদি আজও উলঙ্গ পাগলীকে
দেখে লজ্জায় লাল হয়
সনাতন চক্ষু দুজন,
আমি বলব—
ভূত আসছে, ভূত!