সুনামগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়া ১২০ জন জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে এসে বিক্ষোভ করেছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী তারা বিক্ষোভ করে তাদের নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান নিয়োগবঞ্চিতদের কথা শুনে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সব ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্ত হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ১২০জন বাদ পড়েছেন। শনিবার তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জেলা শহরের ডিএস রোডস্থ জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে এসে জড়ো হোন। তারা নিয়োগ বঞ্চিত হওয়ার কারণ জানতে চান এবং তাদের নিয়োগপত্র না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এসময় নিয়োগবঞ্চিত নারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বঞ্চিত শিক্ষকরা জানান, তারা প্রাথমিক সহকারি নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত, ভাইবাসহ সব ধাপে উত্তীর্ণ হয়েছেন। নিয়োগপত্র পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। তাদের অনেকে চূড়ান্ত হওয়ার পর অন্য চাকুরি ছেড়ে দিয়েছেন। অনেকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু এখন নিয়োগপত্র নেবার সময় তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। গোয়েন্দা রিপোর্টে নেগেটিভ রিপোর্টের কথা বলে তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না।
ভুক্তভোগীরা বলেন, ইউনূস সরকারের সময় আমরা পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। কোনও রাজনৈতিক সুপারিশ নয় মেধার জোরেই সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত হয়েছি। কোন অন্যায় বা ভুলের কারণে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে আমরা জানতে চাই।
বিক্ষোভ চলাকালে বক্তব্য দেন বঞ্চিত শিক্ষক সামন্ত কুমার দাশ, মনোজ কান্তি দাস, অসীম কুমার দাস প্রমুখ।
এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে বঞ্চিতদের কথা শুনতে আসেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মতিউর রহমান খান। তিনি বলেন, আমি বঞ্চিতদের কথা শুনেছি। তারা কেন বাদ পড়লেন জানতে চেয়েছেন। তাদের বিষয়ে কথা বলতে জেলা প্রশাসক স্যার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।