১০ চার ৯ ছক্কায় ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস কিলার মিলারের

জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ও ড্যাশিং ব্যাটার ডেভিড মিলারের দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩৬৫ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে প্রোটিয়ারা।

ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বল হাতে শুরুতেই তারা সাফল্য পায়। ম্যাচের একেবারে প্রথম বলেই আইডেন মারক্রামকে খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরত পাঠান জশ হ্যাজলউড। কুুপার কনলির দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত হন মারক্রাম। এরপর কুইন্টন ডি কক (১৫) দ্রুত বিদায় নিলে মাত্র ৩৬ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় স্বাগতিকরা।

তবে শুরুর সেই বিপর্যয় মুহূর্তেই ফিকে হয়ে যায় টেম্বা বাভুমা ও ডেভিড মিলারের অসাধারণ ব্যাটিং তাণ্ডবে। তৃতীয় উইকেটে ম্যাথিউ ব্রিটজকে (৩৪) নিয়ে বাভুমা প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন। এরপর মিলারকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ১৫৬ রানের এক বিধ্বংসী জুটি গড়ে ম্যাচ সম্পূর্ণ অস্ট্রেলিয়ার হাত থেকে ছিনিয়ে নেন বাভুমা। দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ১১৬ বলে ১০টি চার ও ২টি ছক্কায় ১০৩ রানের ইনিংস খেলে আউট হন।

এরপর তাণ্ডব চালান ডেভিড মিলার। অসি বোলারদের ওপর রীতিমতো ঝড় তুলে মাত্র ৯৩ বলে ১৪২ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। তার এই খুনে ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ৯টি ছক্কার মার। এই ইনিংস খেলার পথেই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে ওয়ানডেতে ১৫০টি ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি (এবি ডি ভিলিয়ার্সের ২০০ ছক্কার পর দ্বিতীয় প্রোটিয়া ব্যাটার হিসেবে)। অস্টম সেঞ্চুরির ইনিংসটির ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ মিলারের। 
বাভুমার সঙ্গে মিলারের জুটিতে ওঠে ১৫৬ রান

ম্যাচের শেষ দিকে মারকো ইয়ানসেন (১৯) ও দুয়ান ইয়ানসেনের (১৮ বলে ২৭*) ছোট কিন্তু কার্যকারী ক্যামিও দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরকে সাড়ে তিনশ পার করে ৩৬৫ রানে নিয়ে ঠেকায়।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে পেসার জ্যাক এডওয়ার্ডস ১০ ওভারে ৬৭ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৫টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া জশ হ্যাজলউড ৭০ রানে ৩টি উইকেট নেন।