প্রতি বছরের মতো যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৫৫ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে।
আইএসপিআর জানায়, গতকাল সোমবার ঢাকা সেনানিবাসের বিমানবাহিনী ঘাঁটি বাশারের সি-১৩০ হ্যাঙ্গারে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল পথচলা ও অর্জন নিয়ে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বক্তব্যে তিনি দেশের আকাশসীমা, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা সুরক্ষায় বিমানবাহিনীর সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, কঠোর শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে দেশের আপামর জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমানবাহিনীর অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর পক্ষ ত্যাগ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকার (মরহুম), বীর উত্তম, মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর একটি অটার বিমান, একটি ড্যাকোটা বিমান ও একটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টার এবং কয়েকজন দুর্ধর্ষ বাঙালি বৈমানিক, বিমানসেনা ও বেসামরিক বৈমানিকসহ ৫৭ জন সদস্য নিয়ে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে ‘কিলো ফ্লাইট’ নামে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী যাত্রা শুরু করে। এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ (মরহুম), বীর উত্তম কিলো ফ্লাইটের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ৫০টিরও অধিক বিমান অভিযান সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনার মাধ্যমে ‘কিলো ফ্লাইট’ মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।