চার দিন আগের দেখায় অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ভাঙতে ব্রাজিলের লেগেছিল ৯৫ মিনিট। তবে এ দিন ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই ভ্যান্ডারসনের দৃষ্টিনন্দন লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় সেলেসাওরা। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও টনি পপোভিচের কাউন্টার-অ্যাটাকিং কৌশলে কোনো ধাক্কা লাগেনি। মাঝে ব্রুনো গিমারায়েসের দারুণ পাস থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ব্যর্থতায় গোল পায়নি ব্রাজিল।
ম্যাচের ধারার বিপরীতে কর্নার থেকে চতুর এক ফ্লিকে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফেরান আলেসান্দ্রো সির্কাতি। শুরুতে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হলেও ভিএআরের সহায়তায় দেখা যায় বলটি ব্রাজিলের এক খেলোয়াড়ের মাথায় লেগেছিল। সমতায় ফেরার স্বস্তি কাটতে না কাটতেই বক্সের বাইর থেকে কনোর মেটক্যাফের বাঁ পায়ের দূরপাল্লার রকেট শটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
তবে লিড নিয়ে বিরতিতে যেতে পারেনি স্বাগতিকরা। ড্যানিলোকে বক্সে ফাউল করায় ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। স্পট-কিক থেকে চলতি মৌসুমে নিজের ১৫তম গোল করে ব্রাজিলকে ২-২ সমতায় ফেরান রাফিনহা।
দ্বিতিয়ার্ধের শুরুতেই বদলি হিসেবে নেমে আলো ছড়ান এনদ্রিক। তার চমৎকার বাড়ানো বলে ভিনিসিয়ুসের শট ব্লক না হলে তখনই এগিয়ে যেতে পারত ব্রাজিল। অন্যদিকে, সির্কাতি মাত্র ৩ গজ দূর থেকে বল গোলবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলে সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে অস্ট্রেলিয়া।
ম্যাচের শেষভাগে ব্রাজিলের আক্রমণের তোপ আর সামলাতে পারেনি অস্ট্রেলীয় রক্ষণ। ভিনিসিয়ুসের চমৎকার কাটব্যাক থেকে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন ব্রুনো গিমারায়েস। এরপর বক্সে ভিনিসিয়ুস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট-কিক থেকে ব্রাজিলের চতুর্থ গোল করে জয় নিশ্চিত করেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের দায়িত্বে ১৯ ম্যাচে ১১তম জয় নিশ্চিত করলেন কার্লো আনচেলত্তি।