সদ্য ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত ‘নাজা’ সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বলা হচ্ছে সিনেমাটি তুলে ধরা হয়েছে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে বেসামরিক মানুষ হত্যার চিত্র। তবে বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে ছবিটিকে ‘বিকৃত, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতাবিবর্জিত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত কথিত গণহত্যা থেকে নিজেদের দূরে রাখার চেষ্টা করেছে তারা।
ইসরায়েলি অস্কারজয়ী নির্মাতা ইউভাল আব্রাহাম ও র্যাচেল সো’র পরিচালনায় নির্মিত চলচ্চিত্রটির বিষয়ে এটিই ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া। ছবিটি নির্মাণ করেছে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ছবিটির বর্ণনা ‘মৌলিক তথ্যগত ভুলের’ ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং হামলার লক্ষ্য নির্ধারণ ও সামরিক অভিযান পরিচালনার প্রক্রিয়াকে ‘বিকৃত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ উপস্থাপন করা হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনো স্বাধীনভাবে হামলার লক্ষ্য নির্বাচন করে না। যোগ্য ও অনুমোদিত গোয়েন্দা কর্মকর্তারা লক্ষ্য শনাক্ত করেন এবং সামরিক কমান্ডাররা হামলার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে চলচ্চিত্রে সাক্ষাৎকার দেওয়া সাবেক সেনা গোয়েন্দা সদস্যরা ইসরায়েলি হামলায় ব্যবহৃত নজরদারি ব্যবস্থা ও দূরপাল্লার বোমাবর্ষণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। নির্মাতাদের দাবি, তাদের কয়েকজন এমন একটি গোপন গোয়েন্দা ইউনিটে কাজ করতেন, যেটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছে প্রতিবেদন পাঠাত।