বিরোধীদলীয় নেতা বললেন

রাড্ডার ঘটনায় শুধু সাংগঠনিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়

মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার দখল, ভাঙচুর ও লুটপাটে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাতের অন্ধকারে রাড্ডা ক্লিনিক দখলের ঘটনায় সরকার ও সরকারি দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। তবে এত বড় ঘটনার ক্ষেত্রে শুধু সাংগঠনিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসী দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য আইনি পদক্ষেপ দেখতে চায়। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ও লুট হওয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণের দায়িত্বও সরকারকে নিতে হবে। রাড্ডার ঘটনা নিয়ে সরকার ও বিএনপির পক্ষ থেকে তদন্তের কথা জানানো হয়েছিল। এ ঘটনার সঙ্গে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তদন্তাধীন বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

বিচার না হলে মিরপুর অচল করে দেওয়ার হুমকি আরমানের : রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচার নিশ্চিত না হলে মিরপুর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। গতকাল ক্ষতিগ্রস্ত রাড্ডা মেডিকেল সেন্টার পরিদর্শন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মহানগরীর নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান ও নাজিম উদ্দিন মোল্লাসহ দলটির মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরমান বলেন, আল্লাহর ঘর সফর করে, তওবা করে এসেছি। মানুষের অধিকার যারা হরণ করেছে, তাদের বিচারের জন্য যা করা প্রয়োজন তাই করব। মৃত্যুর জন্য তৈরি হয়ে এসেছি। এদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা লড়াই করব।’

হামলার ঘটনায় ফুটেজে আসা শুটার লেলিন এবং হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারী হিসেবে মোহাম্মদ হানিফের নাম উল্লেখ করে আরমান বলেন, লেলিন এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। এ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারী মোহাম্মদ হানিফ এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। দুজন সংসদ সদস্যের নাম উচ্চারণ করে গেলাম, এদেরকে গ্রেপ্তার করে চার্জশিট দিয়ে বিচারের ব্যবস্থা যদি না করা হয়, আমরা মিরপুরকে অচল করে দেব।