৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চা বিরতিতে বাংলাদেশ

আবুধাবি টেস্টের শুরুটা বেশ দাপুটেই ছিল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটিং ঝড় দিয়ে যার শুরু। তবে সেঞ্চুরির দুয়ারে এসে এই ওপেনার ফিরলেও রানের চাকা সামলে নিয়েছিলেন সাদমান ও মুমিনুলরা। প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনটাও তাই লিখতে যাচ্ছিল নাজমুল হোসেন শান্তদের নামে। তবে দ্বিতীয় সেশনের একদম শেষদিকে এসে দারুণ কামব্যাক দেখাল আফগানিস্তানের বোলাররা। ৪ রানের মধ্যেই তুলে নেয় ৩ উইকেট।

দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়াল ৫ উইকেটে ২২৬ রানের। ২২ গজে এই মুহূর্তে অপরাজিত আছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

আজ আবুধাবির গরম আবহাওয়ায় টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত শুরুতে বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগায় বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকে ব্যাট চালিয়ে খেলেন তামিম। তবে ফিরতে পারতেন সাদমান। ব্যক্তিগত ১৫ রানে জীবন পান এই ওপেনার। জীবন পেয়ে ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন তিনি। 

অন্য প্রান্তে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তামিম। মাত্র ৪১ বলে অর্ধশতক তুলে নেন এই তরুণ ব্যাটার। সেঞ্চুরি সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত আক্ষেপ নিয়েই ফিরতে হয়েছে তাকে। ৭১ বলে ৮৩ রানের ইনিংসটি সাজান ৮টি চার ও ৪টি ছয়ের সাহায্যে৷ বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে তখন ১ উইকেটে ১২৪ রান। 

পরে তিনে নানা মুমিনুল হককে নিয়ে সেই রানের চাকা সামলে নেন সাদমান। তবে ফিফটি তুলে নিয়ে সাদমান টিকলেন না বেশিক্ষণ। মুমিনুল সঙ্গে তার জুটি থামে ৬০ রানে। ১১১ বলে ৭ চারের মারে ৬৭ রান করে ফেরেন সাদমান। 

তবে বিপত্তি ঘটেনি তখনও। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল দ্বিতীয় সেশনের শেষটা খেলছিলেন বেশ দেখেশুনেই। সেখানে ইনিংসের ৪৮তম ওভারে আফগানদের ম্যাচে ফেরানোর ত্রাতা হয়ে আসেন পেসার ইয়ামিন। সেই ওভারে মুমিনুলকে (৩৯) ফেরানোর পরের ওভারে বোল্ড করে ফেরান মুশফিককে। ৭ বলে কোনো রান করে ফেরেন এই অভিজ্ঞ  ব্যাটার। লাল বলের ক্রিকেটে ১৯৪ ইনিংসে এটি তার ১৪তম 'ডাক' এর ইনিংস। 

তার পরের ওভারে লেগ স্পিনার কায়েস আহমেদের বলে ফেরেন শান্তও (২৯)। এতে  প্রথম সেশনের মতো দ্বিতীয় সেশনের শুরুটা তামিম-সাদমানদের পক্ষে কথা বললেও শেষটা থাকল আফগানদের দখলে।