আফগানিস্তান ৪ উইকেটে ২১১; বাংলাদেশ এগিয়ে ১৩৫ রানে

আবুধাবি টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৪ উইকেটে আফগানিস্তান তুলেছে ২১১ রান। বাংলাদেশের চেয়ে প্রথম ইনিংসে এখনও ১৩৫ রানে পিছিয়ে আছে তারা।

২ উইকেট হাতে নিয়ে দিনটা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৮.৩ ওভার খেলে ২৯ রান তোলে তারা। অলআউট হয়ে যাওয়ার পর দিনটা অপেক্ষায় অপেক্ষায় কেটেছে বাংলাদেশের বোলারদের।

৫ বলের মধ্যে দুই উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ ১৩৪ ও ১৩৯ রানে। কিন্তু এরপর উইকেটের অপেক্ষায় কেটেছে বোলারদের। ১৯৪ বলে ৭২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। ৮৪ রান করা রহমত আছেন সেঞ্চুরির অপেক্ষায়, ২৪ রানে অপরাজিত ইকরাম।

 
আফগান ইনিংসের শুরুতেই রিভিউ নিয়ে কিছুটা তালগোল পাকায় বাংলাদেশ দল। প্রথম ওভারে হাসান মাহমুদের বল প্যাডে লাগলে স্লিপ ফিল্ডারদের আতিশয্যে রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ৩ ওভার পর সেই হাসান মাহমুদের বলেই প্রথম সাফল্য পায় স্বাগতিকরা। স্লিপে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৭ রানে ফেরেন ওপেনার সেদিকউল্লাহ আতাল।

এরপর প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও এবাদত হোসেনের শর্ট বলে ডিপ ফাইন লেগে হাসান মাহমুদের দারুণ এক ক্যাচে ২০ রান করে বিদায় নেন শাহিদউল্লাহ। শুরুর এই জোড়া ধাক্কা সামাল দেন আব্দুল মালিক ও রহমত শাহ।

এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাট করতে থাকেন ওপেনার আব্দুল মালিক। তাইজুল ইসলামের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৮৭ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ফিফটি তুলে নেন তিনি। রেহমাত শাহর সঙ্গে তার জুটি থেকে আসে গুরুত্বপূর্ণ রান। তবে চা-বিরতির ঠিক পরের ওভারেই ইবাদতের বলে লিটন দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১২০ বলে ৬২ রান করা মালিক। ভাঙে ১৫১ বল স্থায়ী ৭০ রানের জুটি।

এরপর সাবেক অধিনায়ক হাশমাতউল্লাহ শাহিদি ক্রিজে এলেও টিকতে পেরেছেন মোটে দুই বল। মেহেদী হাসান মিরাজের তীক্ষ্ণ বাঁক ও বাড়তি বাউন্স বুঝে উঠতে না পেরে স্টাম্পড হয়ে শূন্য রানে ফেরেন তিনি।

দ্রুত দুটি উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান যখন ফের চাপে পড়ে, তখন দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ রহমত শাহ ও ইকরাম আলিখিল। ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন রহমত। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি।

তাদের এই পঞ্চম উইকেট জুটি দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলে। দিনশেষে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ১৫৯ বলে পঞ্চাশ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে অপরাজিত রয়েছেন রহমত শাহ (৭২* রান) ও ইকরাম আলিখিল (১৮* রান)। বাংলাদেশের পক্ষে পেসার এবাদত হোসেন দুটি এবং হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট শিকার করেছেন।