আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হিরা

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ৬৬তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় (২০২৬) প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ঢাকার মিরপুর-১-এ অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল-ইসলামির কৃতী শিক্ষার্থী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা।

বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে কয়েক ধাপে বাছাই শেষে চূড়ান্ত পর্বে ৩৮টি দেশের প্রতিযোগীর অংশগ্রহণে হিফজুল কোরআন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ^দরবারে লাল-সবুজের পতাকা সমুন্নত করেছেন বাংলাদেশের হিরা।

৬ অক্টোবর শুরু হয় এই প্রতিযোগিতা। এর উদ্বোধন করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। পাঁচ দিনের প্রতিযোগিতা শনিবার (১০ অক্টোবর) বর্ণাঢ্য সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে শেষ হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

প্রথম স্থান অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ হিরা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ৪০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত নগদ অর্থ, সম্মাননা ট্রফি, ৫ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের ওমরা অথবা মুসলিম পর্যটন প্যাকেজ এবং ৩ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের স্বর্ণের বার।

ইতিপূর্বেও এ প্রতিষ্ঠানের কৃতী শিক্ষার্থী হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ ও সাদ নুরসহ অনেকে বিশে^র বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনসহ গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাটি অল্প সময়ের মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তুরস্ক ও কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে এবং কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অভাবনীয় ফলাফলে আলোচনায় ওঠে আসে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হলেন মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম। তিনি গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।