দেশে ডিমের উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুক। তিনি বলেন, এজন্য উন্নত মানের ডিম উৎপাদন, উৎপাদন খরচ কমানো এবং পোলট্রি খাতের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
গতকাল রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব ডিম দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্রোটিন, যা শক্তি দেয় ও সুরক্ষা করে’। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের আহ্বায়ক মসিউর রহমান এবং ওয়ার্ল্ডস পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার সিনিয়রসহ সভাপতি মো. সিরাজুল হক।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, ‘এ বছর আমরা প্রথমবারের মতো নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করেছি। এটি আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। মানসম্পন্ন ডিম উৎপাদন করা গেলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে তা রপ্তানি করা সম্ভব। দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
পোলট্রি খামারে বিদ্যুতের ব্যয় কমানোর বিষয়েও সরকারের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, পোলট্রি খামারগুলোকে কীভাবে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনা যায়, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।