সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন আহমেদ আক্ষেপ করে বললেন, ‘এই উইকেটে ব্যাটারদেরই ম্যাচ জেতানো উচিত ছিল।’ তার আগে ম্যাচ শেষে অফিশিয়াল সম্প্রচারে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের কন্ঠেও ছিল হুবহু একই সুর; সাফ জানালেন, ‘এই লক্ষ্য তাড়া করার দায়িত্ব ব্যাটারদেরই নেওয়া উচিত ছিল।’
এই তো কদিন আগেই এই মাঠেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলল বাংলাদেশ। যদিও ফরম্যাট আলাদা তবে পিচ যে ব্যাটিংবান্ধব সেটা তো আঁচ করাই যাচ্ছিল। সেখানে জিম্বাবুয়ের ছুড়ে দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ দল গুটিয়ে গেছে মাত্র ১৭২ রানে। আর এই শোচনীয় হারের পর ড্রেসিংরুম থেকে শুরু করে সংবাদ সম্মেলন—সবখানেই এখন কাঠগড়ায় দলের ব্যাটিং ইউনিট।
বড় ব্যবধানে এই হারের পর দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে কোনো রাখঢাক রাখেননি বাংলাদেশের নতুন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হৃদয়। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আসলে আমরা খুব ভালো বোলিং করেছি। এখানকার পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য অত্যন্ত চমৎকার ছিল। তাই ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা বেশ কিছু ভুল করেছি। আমাদের শুরুটা দারুণ হয়েছিল, কিন্তু মাঝপথে আমরা ভালো করতে পারিনি।’
জিম্বাবুয়ের ছুড়ে দেওয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যটি যে অনায়াসেই তাড়া করার মতো ছিল, সে কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন হৃদয়। দলের বোলারদের প্রশংসা করার পাশাপাশি ব্যাটারদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি তাড়া করার মতো ছিল। আগেই যেমনটা বলেছি, আমাদের বোলাররা সত্যিই দারুণ বোলিং করেছে। একটি ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমাদের এই ধরনের লক্ষ্য তাড়া করার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’
দলের সার্বিক ব্যাটিং পারফরম্যান্সের সমালোচনা করে হৃদয় স্বীকার করেছেন যে এমন পিচে স্রেফ নিজেদের বোকামির কারণেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে। তবে তরুণ এই অধিনায়ক একই সাথে আশাবাদী যে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দল দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে। সঙ্গে ওয়ানডেতে নিজের অধিনায়কত্বের অভিষেক প্রসঙ্গে অনুভূতি প্রকাশ করে হৃদয় বলেন, ‘(প্রথমবার জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া) হ্যাঁ, এটি আমার এবং আমাদের পরিবারের জন্য অনেক গর্বের বিষয়। আশা করি এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’