বছর ঘুরে সেই কক্সবাজারে রবিনের তিন নম্বর সেঞ্চুরি

ফার্স্ট ক্লাস ক্যারিয়ারে এবারের জাতীয় লিগ শুরুর আগে ১৪ ম্যাচের ২৬ ইনিংসে মাহফিজুল ইসলাম রবিনের সেঞ্চুরি ছিল স্রেফ একটি সেঞ্চুরি। সেই সেঞ্চুরিটি ছিল কক্সবাজারে গতবছর রংপুরের বিপক্ষে ম্যাচে। এবার তিন ম্যাচে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটিও রবিন করলেন সেই কক্সবাজারে, এবার প্রতিপক্ষ ঢাকা। 

ময়মনসিংহের এই ওপেনার এবার দারুণ ফর্মে। সিলেটের বিপক্ষে ৭০ ও ১০০ রানের ইনিংস দিয়ে এবারের জাতীয় লিগ শুরু করেছিলেন। রংপুরের বিপক্ষে দুই ইনিংসের একটিতে করেন ৬৮। রবিবার তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে পেয়ে গেলেন আরেকটি সেঞ্চুরি। ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ২৩৭ বলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ১১৬ রানে তুলে অপরাজিত আছেন। তার এই সেঞ্চুরিতে ময়মনসিংহ দিন শেষ করেছে ৪ উইকেটে ২২৬ রান তুলে।

তৃতীয় রাউন্ডের অন্য তিন ম্যাচের শুরুর দিন ফিফটি করেছেন শুধু জাকির হাসান ও ইমরানউজ্জামান। বোলারদের দাপটে তিন মাঠেই প্রথম দিনে শুরু হয়ে গেছে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংস।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলা ক্রিকেটারদের সুবিধার জন্য এই রাউন্ড শুরু করা হয়েছে এক দিন পিছিয়ে। তবে সিলেটের জাকের আলি ও খালেদ আহমেদ ছাড়া কেউই খেলছেন না এই রাউন্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে বিশ্রাম বেছে নিয়েছে মুশফিকুর রহিম, নাঈম হাসান, এবাদত হোসেন, তাইজুল ইসলাম ও সাদমান ইসলাম। 

জাকিরের আরেকটি ফিফটি

৬০ ও ৬৫–এর পরে এবার অপরাজিত ৭১—জাতীয় ক্রিকেট লিগে টানা তৃতীয় ফিফটি পেয়েছেন সিলেট বিভাগ অধিনায়ক। এবারের লিগে তিন ম্যাচে তিনবারই ব্যাটিং করেছেন সিলেট ওপেনার। পায়ের পেশিতে টান পড়ায় আজ উঠে যেতে বাধ্য হন জাকির।

চট্টগ্রামে তাঁর দল ভালো করতে পারেনি। রংপুরের বিপক্ষে তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে অলআউট হয়েছে ১৭৯ রানে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান নয়ে নামা খালেদ আহমেদের। রংপুরে পেসার মেহেদী হাসান ও লেগ স্পিনার স্বাধীন ইসলাম নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। রংপুর দিন শেষ করেছে ১ উইকেটে ৩২ রান তুলে।

সিলেটে বোলারদের দাপট

সিলেট একাডেমি মাঠে খুলনা–চট্টগ্রাম ম্যাচে প্রথম দিনে উইকেট পড়েছে ১৩টি। খুলনা ২০১ রানে অলআউট হওয়ার পর ৩ উইকেটে ৭২ রান তুলে দিন শেষ করেছে চট্টগ্রাম। খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেছেন উইকেটকিপার ইমরানউজ্জামান। এ ছাড়া ওপেনার আজিজুল হাকিম করেছেন ৪২ রান। চট্টগ্রামের পেসার আহমেদ শরীফ ৪০ রানে পেয়েছেন ৩ উইকেট।

সানজামুলের ৪ উইকেট

রাজশাহীতে বরিশাল অলআউট ২২৯ রানে। রাজশাহীর অভিজ্ঞ স্পিনার সানজামুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ উইকেট। ১১.১ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এ ছাড়া বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলাম নিয়েছেন ৩ উইকেট। বরিশালের উইকেটকিপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ৪১ রান। রাজশাহী দিন শেষ করেছে ১ উইকেটে ২৪ রান তুলে।