পণ্য আমদানির আইনি ঘোষণা দিতেই সময় লাগছে সাত দিনের বেশি। বিক্রেতার পণ্যের ডকুমেন্ট আমদানিকারকের হাত হয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাছে আসতে ছয় হাত ঘুরেই এই সময় লাগছে। আর এতেই চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমদানি পণ্য খালাসে কার্গো (পণ্য) ঘোষণার পর ১৩ দিনের বেশি সময় লাগছে।
কেন এই বাড়তি সময় সে বিষয়ে আমদানিকারক, শিপিং এজেন্ট ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পণ্য যে দেশ থেকে বিক্রি হচ্ছে সেই দেশের বিক্রেতা জাহাজীকরণের আগে সেখানকার ব্যাংকে মূল ডকুমেন্ট জমা দেন। সেই ডকুমেন্ট কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আমদানিকারক যে ব্যাংকে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) করেছে সেই ব্যাংকে আসে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আবার এসব ডকুমেন্ট রিচেক করে ফাইনাল করে সার্টিফাইড কপি আমদানিকারকের কাছে দেয়। আমদানিকারক সেই ডকুমেন্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাছে দিলেই পণ্যের বিল অব এন্ট্রি (আইনি ঘোষণা) দাখিল করা হয়। এই প্রক্রিয়াতেই সময় চলে যায় গড়ে ৭ দশমিক ৪ দিন। বিল অব এন্ট্রি দাখিলের পর পণ্য ছাড়করণের জন্য আরও চারটি ধাপ রয়েছে। এসব ধাপের পরই মেলে পণ্য ছাড়করণ। ডকুমেন্ট সংক্রান্ত বিলম্বের কারণে পণ্য এসে বন্দরে পড়ে থাকলেও খালাসে বিলম্ব হয়। এতে পণ্য বন্দরে নামার চার দিনের ফ্রি টাইমের পর থেকেই জরিমানা গুনতে হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানিকারকরা যাতে কনটেইনারগুলো নিয়ে যান সেজন্য বাড়তি চাপ প্রয়োগ করতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায়ই স্টোর রেন্ট (ইয়ার্ডের ভাড়া) চারগুন (ফ্রি টাইমের পর থেকে) করে দিয়ে থাকে। তখন দ্রুত বন্দরের ইয়ার্ড থেকে পণ্য খালাস হয়ে যায়। কিন্তু কাস্টমসের তথ্য দিচ্ছে ভিন্ন উপাত্ত। তাতে দেখা যায়, পদে পদে বিলম্ব করছেন আমদানিকারকরা।
কী আছে কাস্টমসের উপাত্তে? : গত এপ্রিল মাসের ৩ হাজার ১৯১টি বিল অব এন্ট্রির উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস। তাতে দেখা যায়, আইজিএম ঘোষণার পর যেখানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করা সম্ভব সেখানে লাগছে ৭ দিনের বেশি। পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে থাকা একটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে পণ্যের আইনি ঘোষণা (আইজিএম) দেওয়া হয়। আর তা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমস থেকে একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর পাওয়া যায়। এই রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করতে হয়। বিল অব এন্ট্রি দাখিল করতে ৭ দশমিক ৪ দিন সময় নিচ্ছেন আমদানিকাররা। এরপর পণ্যটির পরীক্ষণ শেষ করতে চট্টগ্রাম কাস্টমসের দুই দিন সময় লাগে। তাদের পরীক্ষণ শেষে ফি চূড়ান্ত হয়ে গেলে তা পরিশোধে আমদানিকারক বা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ১ দশমিক ৮ দিন সময় নিচ্ছে। কাস্টমসের পাওনা পরিশোধের পর বন্দরের পাওনা পরিশোধ করে পণ্য বের করার অনুমতি পেতে সময় নিচ্ছে ১ দশমিক ১ দিন। অনুমতি পাওয়ার পর পণ্যটি ইয়ার্ড থেকে বের করতে সময় লাগছে শূন্য দশমিক ৯ দিন। এই ৫টি ধাপে গড়ে মোট সময় লাগছে ১৩ দশমিক ২ দিন।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে অনেক আমদানিকারক বিমানবন্দরের মতো গ্রিন চ্যানেল সুবিধা পেয়ে থাকেন। কাস্টমসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ২০টি কোম্পানি এই গ্রিন চ্যানেল সুবিধা পেয়ে আসছে। তাদের আমদানিকৃত পণ্য কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষা-পরীক্ষণ হয় না। বিল অব এন্ট্রি অনুযায়ী কাস্টমস এসেসমেন্ট করে মূল্য পরিশোধের পর তারা পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করবে। কিন্তু সেখানেও কিন্তু বিল অব এন্ট্রিতে ৫ দিন সময় লাগছে। আবার পচনশীল পণ্যে (খাদ্যজাতীয়) সেগুলো আবার তিন দিনে বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয়ে যায়।
বিল অব এন্ট্রিতে দেরি হয় কেন? : এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শিপিং এজেন্ট, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা হয়। তাদের উত্তরে উঠে আসে ব্যাংকিং চ্যানেলে আমদানিকৃত পণ্যের ডকুমেন্ট পেতে দেরি হয়। আর এতে বিল অব এন্ট্রি দাখিলেও বিলম্ব হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিধান অনুযায়ী পণ্য সর্বশেষ পোর্ট থেকে ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা আগে আইজিএম সম্পন্ন করতে হবে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে। কিন্তু এই সাবমিশন হয় আসলে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ আসার পর। এ বিষয়ে কথা হয় গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কাজ করা হালিম ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল হালিমের সঙ্গে। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জাহাজ বহির্নোঙরে আসার পর মূলত আইজিএম হয়ে থাকে। আইজিএম সম্পন্ন করে শিপিং এজেন্ট কিংবা ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার। আইজিএম হওয়ার পর আমদানিকারকের কাছ থেকে পণ্যের মূল ডকুমেন্ট পেলে আমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করি।’
তাহলে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করতে ৭ দিনের বেশি সময় লাগছে কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে আবদুল হালিম বলেন, ‘আমরা মূল ডকুমেন্ট যখন পাই তখনই এন্ট্রি করি। এখন আমদানিকারক ব্যাংক থেকে ডকুমেন্ট পেতে দেরি করলে সেটার দায় তো আমাদের না।’
ব্যাংক থেকে মূল ডকুমেন্ট পেতে দেরি : বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের তালিকার একটি মূল কপি কিন্তু জাহাজের মাস্টারের কাছে থাকে। আমদানিকারকের একটি কপিও জাহাজের মাস্টারের কাছে দিয়ে দেওয়া হয় বন্দরে এলে দিয়ে দেওয়ার জন্য। অপরদিকে সাপ্লাইয়ার আরেকটি মূল কপি তার দেশের ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের দেশের ব্যাংকে (যে ব্যাংকে এলসি খোলা হয়েছিল) পাঠিয়ে দেয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা ভেরিফাই করে আমদানিকারককে দেয়। আমদানিকারক তা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে সরবরাহ করে এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট তা পেয়ে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে।
কাস্টমসের বক্তব্যমতে জাহাজ ছাড়ার আগেই আইজিএম এবং বিল অব এন্ট্রি দাখিল করার বিষয়ে ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বাস্তবে তা সম্ভব নয়। তা করতে হলে মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো করতে হবে। তখন আইজিএম করার সময়ই বিল অব এন্ট্রি দাখিল হয়ে যাবে।’
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য খালাসে কাস্টমসের গ্রিন চ্যানেল সুবিধা পাওয়া আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের একটি এশিয়ান পেইন্টস। কথা হয় এশিয়ান পেইন্টসের সাপ্লাই চেইন বিভাগের সামিউল বাশারের সঙ্গে। সামিউল বাশার বলেন, সাপ্লাইয়ার তার ব্যাংকের মাধ্যমে আমরা যে ব্যাংকে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) করি সেখানে কুরিয়ারে মূল ডকুমেন্টস পাঠায়। ব্যাংক যাচাই করে কনফার্ম করলে তা আমাদের (আমদানিকারক) দেওয়া হয়। আমরা সেই কাগজ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে দেই এবং তারা সাবমিট করে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় ৫ থেকে ৭ দিন সময় চলে যায়।’
কিন্তু জাহাজের মাস্টারের কাছে থাকা মূল ডকুমেন্টসের কপি দিয়ে বিল অব এন্ট্রি করা যায় না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন বলেন, ‘কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এর ভেরিফিকেশন চায়। কারণ আমদানিকারক অনেক সময় ভুল তথ্য দেন, এজন্য ব্যাংক থেকে ভেরিফিকেশন কপি মেন্ডেটরি করা হয়েছে। তবে বিমানবন্দরের ক্ষেত্রে আবার পণ্যের নিশ্চিতকরণের ফটোকপি দিয়েও বিল অব এন্ট্রি করা যায়। তখন আর এই বাড়তি সময় লাগে না।
আসলেই কি ব্যাংক দেরি করে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে কথা হয় ইস্টার্ন ব্যাংক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখার ম্যানেজার সঞ্জয় দাশের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কুরিয়ারে ডকুমেন্ট আসার পর আমাদের সাইড থেকে ভেরিফাই করতে পাঁচ থেকে ছয় দিন সময় লেগে যায়। তবে এর মধ্যে আমাদের মাত্র একদিনের কাজ। বাকি সময়টা নির্ভর করে কুরিয়ারের ওপর। তবে এক্ষেত্রে আমদানিকারকের অনুরোধে রপ্তানিকারক ডকুমেন্টসগুলো আগে পাঠিয়ে দিলেই কিন্তু সময়টা নষ্ট হয় না।’
কথা হয় বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট খায়রুল আলম সুজনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং এই পদ্ধতি আরও সহজ করতে হবে। কাস্টমস আইনে জাহাজ ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা আগেই বিল অব এন্ট্রি দাখিল করার বিধান করেছে। এটা মানা গেলে ব্যাংকিং প্রসেসিং আরও সহজতর ও দ্রুত হবে। একই সঙ্গে অন্যান্য যে ধাপগুলো রয়েছে সেগুলোও দ্রুত সম্পাদনের সদিচ্ছা থাকতে হবে।’
দুই ঘণ্টায় পণ্য খালাস সম্ভব বন্দর কর্তৃপক্ষ : চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাত্র দুই ঘণ্টায়ই পণ্য খালাস সম্ভব বলে জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ও সংস্থাটির সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের এখন যে দক্ষতা রয়েছে যদি কাস্টমসের সাইড থেকে সব কিছু ক্লিয়ার থাকে তাহলে জাহাজ থেকে একটি পণ্য নামার দুই ঘণ্টার মধ্যেই বের হয়ে যেতে পারবে। অতীতে এমন অনেক পণ্য বন্দর থেকে খালাস হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। তবে এজন্য আমদানিকারক তথা স্টেকহোল্ডার কাস্টমস ও বন্দরের সাইডের ফি ও ডকুমেন্টস আপডেট করে রাখতে হবে।’
বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিবের বক্তব্যকে সমর্থন করে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় নিয়োজিত আরএসজিটির হেড অব কমার্শিয়াল সৈয়দ আরেফ সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের এখানে জাহাজ থেকে পণ্য নামার পর ইয়ার্ড থেকে খালাস হতে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৫ দিন সময় লাগে। কিন্তু যদি কাস্টমস ও বন্দরের সব পাওনা কমপ্লিট থাকে তাহলে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই পণ্য খালাস সম্ভব।’
কাস্টমসের বক্তব্য : চট্টগ্রাম কাস্টমসের মুখপাত্র ও সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য খালাসে সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট করেন আমদানিকারক, শিপিং এজেন্ট ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা। ৭৫ শতাংশ সময় নষ্ট হয় আমদানিকারক তথা স্টেক হোল্ডারদের (শিপিং এজেন্ট, বাফা, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট) কারণে। ১৪ শতাংশ সময় যায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ও ৮ শতাংশ যায় চট্টগ্রাম কাস্টমসের কারণে।
তিনি বলেন, ‘পণ্যের তালিকার মূল কপি আইজিএম করার সময়ই অনলাইনে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডের মাধ্যমে আমরা পেয়ে যাই। আমদানিকারক তার নিজের রিয়েল ডকুমেন্টের জন্য ব্যাংকের ওপর নির্ভর করে এবং এ কারণে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করতে বেশি সময় লাগছে। বিল অব এন্ট্রি তো সর্বশেষ বন্দর থেকে জাহাজ ছাড়ার ২৪ ঘণ্টা আগে করার নিয়ম।’
এসব বিলম্বের কারণে অনেক পণ্য নির্ধারিত ৩০ দিন পার করলেই এগুলো নিলামে বিক্রির জন্য নথিবদ্ধ হয়ে যায় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমদানিকারক তথা স্টেক হোল্ডারদের পণ্য খালাসের কাজগুলো দ্রুত সম্পাদন করতে হবে। এখন আমরা সপ্তাহের সবকটি দিন সার্ভিস দিচ্ছি। এখন তো দেরি হওয়ার কথা নয়। টাকা জমা দিতেও যাতে দেরি না হয় সেজন্য ব্যাংক সার্ভিসও ২৪ ঘণ্টা করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, পণ্য খালাসের কাজ দ্রুত ও আধুনিক করতে বিদেশি অপারেটরের পরিচালনায় যাচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনালগুলো। ইতিমধ্যে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) পরিচালনার জন্য সৌদি আরবের আরএসজেটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার জন্য। চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) পরিচালনার জন্য আরএসজিটিকে বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে নৌ মন্ত্রণালয়। এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে ৫৯ হাজার একক কনটেইনার রাখার জায়গা থাকলেও গতকাল কনটেইনার ছিল ৪১ হাজার ১৬৬টি। বন্দরের ইয়ার্ডে অবস্থান করা কনটেইনারের সংখ্যা যত কম হবে বন্দরের কাজের গতি তত বাড়বে। এজন্যই দ্রুত পণ্য খালাস করে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।