চলতি বছর থেকে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সংগীত নির্মাতাদের কণ্ঠস্বর, কপিরাইট ও নৈতিক-অর্থনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং নীতিনির্ধারক পর্যায়ে তাদের স্বার্থরক্ষায় কাজ করে এপিএমএ। এই সংগঠনের কমিটিতে জায়গা পাওয়ায় বাংলাদেশে সংগীতশিল্পীদের রয়্যালটি ও অধিকার নিয়ে কথা বলা আরও সহজ হবে বলে মনে করেন হামিন আহমেদ।
হামিন আহমেদ জানান, সংগীতশিল্পীদের স্বত্ব, সঠিক পারিশ্রমিক না পাওয়া এবং ডিজিটাল মিউজিক প্ল্যাটফর্মগুলোর বিপুল আয়ের বিপরীতে ক্রিয়েটরদের আয়ের বৈষম্য—এই সংকটগুলো নিরসনে কাজ করে এপিএমএ। পাশাপাশি নতুন অঞ্চলে স্বত্বভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও সংগঠনটি ভূমিকা রাখছে।
এশিয়া-প্যাসিফিক মিউজিক ক্রিয়েটরস অ্যালায়েন্সে যুক্ত হওয়ার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হামিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে আমার ভূমিকা বিবেচনা করে এপিএমএ থেকে বলা হয়েছে এক্সিকিউটিভ কমিটির ইলেকশনে অংশ নিতে। ইলেকশনে অংশ নিয়ে আমি নির্বাচিত হয়েছি। ১১ জন সদস্যকে নির্বাচিত করা হয়েছে। এই প্রথম বাংলাদেশ থেকে কেউ এই কিমিটিতে নির্বাচিত হলো। ২৯ অক্টোবর জানা যাবে আমি কোন পদে দায়িত্ব পালন করব। ২০টির বেশি দেশের প্রতিনিধিরা বর্তমানে এই প্ল্যাটফর্মে একসঙ্গে কাজ করছেন। এই ফোরামে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের কণ্ঠ ও দাবি যেন জোরালোভাবে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’