বাজারে এসেছে শীতের সবজি

গ্রামাঞ্চলে রাতের বেলা খানিকটা শীতের আবহ তৈরি হলেও ঢাকার চিত্র ভিন্ন। তাপমাত্রা খানিকটা কমার মধ্য দিয়ে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব টের পাওয়া গেলেও গরমের রেশ এখনো বিদ্যমান। তবে এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে নিত্যপণ্যের বাজারেও। শীত না এলেও এই মৌসুমের কিছু সবজি বাজারে এসেছে। বরাবরের মতোই এসব সবজি বেশ চড়া দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে পুরনো সবজিগুলোর দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাড্ডা, রামপুরা, সেগুনবাগিচা, মগবাজার ও কারওয়ানবাজারসহ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বছরের মতোই এবারও আগাম বাজারে এসেছে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিম। যে সবজিগুলোর শীতের মধ্যে ব্যাপক সরবরাহ যেমন থাকে তেমনি ভোক্তার চাহিদাও থাকে ব্যাপক। তবে আগাম সবজির উৎপাদন কম থাকায় পণ্যগুলোর দাম থাকে খানিকটা চড়া। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারে এখন ছোট ও মাঝারি আকারের ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি ফুলকপি বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত দামে। একইভাবে বাজারে আসা প্রতিটি বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি দামে নতুন আসা শিমের। নতুন শিমের স্বাদ নিতে ভোক্তাকে গুণতে হচ্ছে অন্তত ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। যদিও এই দাম গত সপ্তাহের তুলনায়  কেজিতে ২০ টাকা বা তারও বেশি কম। এ ছাড়া কোথাও কোথাও অবশ্য অল্প পরিমাণে মুলাও বিক্রি করতে দেখা গেছে।  মেরুল বাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টের সবজি বিক্রেতা শরিফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, সপ্তাহ দুয়েক ধরেই ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিম বাজারে এসেছে। তবে ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে দামও কমছে।

বিক্রেতারা জানান, শীতের সবজির সরবরাহ পুরোপুরি না আসা পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন সবজিগুলো এখনো বাজারে ভোক্তার চাহিদা পূরণ করছে। এর মধ্যে পটোল, বেগুন, ঝিঙা, বরবটি, লাউ, ঢ্যাঁড়স-সহ নানান সবজি রয়েছে। পূজার ছুটির কারণে একদিকে ক্রেতা কম অন্যদিকে নতুন সবজির আগমন, দুই চাপে দাম খানিকটা কমতে শুরু করেছে।