মৌসুমে প্রথমবারের মতো ম্যাচ হারলো আবাহনী লিমিটেড। গোপালগঞ্জ স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিউনের কাছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ম্যাচে ২-১ গোলে হেরেছে আবাহনী। এটা আবার মৌসুমে ব্রাদার্স ইউনিয়নের পাঁচ ম্যাচে প্রথম জয়।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আবাহনী। সজিবের ক্রস থেকে হেড করেন বাবাতুঙ্গে। তবে তার হেডটি অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ১৫তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আলামিনের কাটব্যাকে সবুজ হোসেন পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন।
২৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। থিয়াগো দুনহার লং বল থেকে পাওয়া বলে পা ছোঁয়ান পাকিস্তানি ফরোয়ার্ড সৈয় আলি রেজা। গোলকিপার প্রিতম এগি এসে হাতে লাগালেও বলের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। সেই সুযোগে ফাঁকা পোস্টের দিকে এগিয়ে গিয়ে আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন রেজা।
৪২ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আবাহনীর আলামিনের নেওয়া বুলেট গতির শট হাত লাগিয়ে প্রতিহত করেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের গোলকিপার মোহাম্মদ রাজিব। পরের মিনিটেই সানডের হেড লাফিয়ে উঠে তালুবন্দি করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে, খেলার ৫৮ মিনিটে রবিউল হাসান সমতা ফেরান আবাহনীর পক্ষে। সেট পিস থেকে বাবাতুঙ্গেকে পাস দেন ইয়াসিন। সেখান থেকে লে-অফে বল পেয়ে জোরালো শট নেন রবিউল। গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়েও সেই শট ঠেকাতে পারেননি।
৬১ মিনিটে ব্রাদার্সের ওদুয়ার সঙ্গে চ্যালেঞ্জে জড়িয়ে মাটিতে পড়ে যান আবাহনীর বাবাতুঙ্গে। অন্য পাশে মঈন আহমেদকে ফেলে দেন জনাথন সান্তানা। এরপর সান্তানাকে ধাক্কা দেন আবাহনীর অ্যান্থনি ওকাচি। পাল্টা ধাক্কায় ওকাচিকেও ফেলে দেন ব্রাদার্সের সান্তানা। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে ওকাচি ও সান্তানা দুজনকেই লাল কার্ড দেখান রেফারি।
৭৫ মিনিটে নিজেদের অর্ধ থেকে জামাল ভূইয়ার একট লং পাস ধরে আবার গোল করেন আলি রেজা।
খেলার বাকি সময় আবাহনী চেষ্টা করেও গোল শোধ করতে না পারলে জিতে যায় ব্রাদার্স। গত বছরের লিগেও প্রথম পর্বে হারলেও দ্বিতীয় পর্বে আবাহনীকে হারিয়েছিল জামালরা।
পাঁচ ম্যাচে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ৮ নম্বরে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট পাওয়া আবাহনী টেবিলের পঞ্চম স্থানে। চার ম্যাচে তিন জয় আর এক ড্রয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বাংলাদেশ পুলিশ।
দিনের আরেক ম্যাচে শেষ মুর্হূতের গোলে ফকিরেরপুলকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে রহমতগঞ্জ।