হ্যাকিংয়ের শঙ্কায় বন্ধ ছিল জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট

জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা বা মূল সার্ভার হ্যাক হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে সেটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) জনতা ব্যাংক পিএলসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক স্পষ্টীকরণ ও প্রতিবাদলিপিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে ‘সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এসব সংবাদে ব্যাংকের মূল সার্ভার হ্যাক বা সাইবার হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এতে আরও বলা হয়, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষায় দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা এনিসা (ইএনআইএসএ) এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর যৌথ সতর্কবার্তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এরই অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে সরকারি ছুটির দিনগুলোতে জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পর ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে জানায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

জনতা ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার বিষয়টি ছিল পূর্বসতর্কতামূলক নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ। এটিকে সাইবার হামলা বা সার্ভার হ্যাক হওয়ার ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।