লাল কার্ডে চেলসির সেঞ্চুরি, সবচেয়ে বেশি কার

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে শৃঙ্খলাভঙ্গের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও লজ্জাজনক মাইলফলকে পৌঁছে গেল চেলসি। টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে গতরাতের উত্তপ্ত লন্ডন ডার্বিতে কোল পালমার ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে, প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে ১০০টি লাল কার্ড দেখার রেকর্ড স্পর্শ করে ব্লুজরা। 

প্রিমিয়ার লিগে এবার এটি ১২তম লাল কার্ড। আগের মৌসুমেও কার্ড দেখার তালিকায় শীর্ষে ছিল চেলসি। ২০২৫-২৬ আসরে খেলোয়াড় ও স্টাফ মিলিয়ে ১১টি লাল কার্ড দেখছিল তারা, যার মধ্যে খেলোয়াড়ের লাল কার্ড ছিল ৮টি। যদিও এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি লাল কার্ড দেখার রেকর্ডটি যৌথভাবে ২০০৯-১০ মৌসুমে সান্দারল্যান্ড এবং ২০১১-১২ মৌসুমে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের (৯টি করে)।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে গত রাতের ম্যাচটিতে মাইক প্যান্ডার্সের আত্মঘাতী গোল এবং মাতিস তেলের শেষ মুহূর্তের লক্ষ্যভেদে চেলসিকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় টটেনহ্যাম। পুরো ম্যাচে গোলকিপারের মারাত্মক ভুল এবং গোলপোস্টে প্রতিহত হওয়া বেশ কিছু আক্রমণের পর ৮০ মিনিটে কনর গ্যালাগারকে বেপরোয়া ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়েন কোল পালমার।

এই এক লাল কার্ডের খেসারতেই চেলসিকে লিগে নিজেদের ১০০তম বহিষ্কারের তেতো স্বাদ পেতে হয়। এতে আগামী বুধবার লিগ কাপে লিভারপুলের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না চেলসির এই তারকা মিডফিল্ডার।

এদিকে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে লাল কার্ডের সেঞ্চুরি করা তিনটি দলের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এভারটন। অল-টাইম তালিকায় ১১৩টি লাল কার্ড নিয়ে সবার ওপরে অবস্থান করছে মার্সিসাইডের এই ক্লাবটি। তাদের ঠিক পেছনেই ১১০টি লাল কার্ড পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আর্সেনাল। এবার ১০০টি লাল কার্ডের ঘরে পা দিয়ে এই তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা নিল চেলসি। 

অন্যদিকে প্রিমিয়ার লিগের অন্য জায়ান্টদের মধ্যে নিউক্যাসল ইউনাইটেড ৯৬টি লাল কার্ড নিয়ে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, আর ম্যানচেস্টার সিটি ৭৮টি এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৭৭টি লাল কার্ড দেখে এখনও অবশ্য সেঞ্চুরি দিকে এগোয়নি।