ক্লান্তি দূর করার কৌশল

সাফল্য লাভের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয় তা কে না জানে? কিন্তু অনেকেই অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। ফলে সাফল্য থাকে অধরা। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য জানতে হবে ক্লান্তি দূর করার কৌশল।

ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি ওঠা : তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে সতেজ মন নিয়ে কাজ শুরু করা যায়। দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে স্বাস্থ্যহানি ঘটে, শরীর দুর্বল হয়ে যায়। ফলে একটু পরিশ্রমেই শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই সারা দিন ক্লান্তিহীন থেকে প্রচুর পরিশ্রম করতে চাইলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে।

করতে হবে শরীরচর্চা : নিয়মিত শরীরচর্চা করলে শরীর সুস্থ ও সবল থাকে। দেহ থাকে সুগঠিত। সে কারণে একজন শরীরচর্চাকারী যিনি শরীরচর্চা করেন না, তার থেকে বেশি পরিশ্রম করতে পারেন।  

পর্যাপ্ত পানি পান : পানির অপর নাম জীবন। এই উক্তিটি আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি। আমাদের শরীরে প্রায় ৭০ শতাংশ পানি। তাই শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না থাকলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়। পরিশ্রমের ফলে ঘাম আকারে শরীরের পানি বের হয়ে যায়। শরীর ক্লান্ত হয়ে যায়। পানি পান করলে এই পানির অভাব পূরণ হয়। ফলে ক্লান্তি দূর হয়।

কাজের ফাঁকে বিশ্রাম : একটানা কাজ করলে শরীর বিশ্রাম পায় না, যে শক্তি ক্ষয় হয় তা পূরণ করতে পারে না। ফলে শরীর ক্লান্ত হয়, কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে যায়। কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিলে কাজ যেমন সহজ এবং আনন্দময় হয় তেমনি শরীরে ক্লান্তি বাসা বাঁধতে পারে না।

মেডিটেশন : ক্লান্তি দূর করতে মনকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। মনের ক্লান্তিই শারীরিক ক্লান্তির জননী। যখন নেতিবাচক চিন্তাগুলো মনে আসে তখন মানসিক দৃঢ়তা কমে যায়, মনে ক্লান্তির কালো মেঘ হানা দেয়। মন দুর্বল হয়ে গেলে আমাদের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যায়। আর তখনই আমরা ক্লান্তি অনুভব করি। মনকে নিয়ন্ত্রণে ও উদ্দীপনায় ভরপুর রাখতে মেডিটেশনের বিকল্প নেই।