শিমু হত্যা মামলায় ‘নির্দোষ’ দাবি আসামীদের

টিভি ও চলচ্চিত্র রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় নিজেদের পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন করেছেন তার স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল ও নোবেলের সহযোগী এস এম ফরহাদ। শুনানিতে তারা নিজেদের ‘নির্দোষ’ দাবি করেছেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালত এ তারিখ নির্ধারণ করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শফিকুল ইসলাম সুমন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমগুলো। আইনজীবী জানিয়েছেন, এদিন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় দুই আসামির বক্তব্য শোনেন আদালত। পরে তারা আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষী উপস্থাপনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। 

মামলাটিতে মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়নের আলীপুর ব্রিজের কাছের একটি ঝোপ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

শুরুতে তার পরিচয় জানা না গেলেও পরে আঙুলের ছাপ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর বলে শনাক্ত করা হয়। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগের দিন ১৬ জানুয়ারি সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে দাম্পত্য কলহের জেরে শিমুকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৯ আগস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম নোবেল ও ফরহাদকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২৯ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার শুরু হয়।