মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাবেক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালসহ পাঁচ আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি সংবাদপত্রে এই বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত এ অপরাধের মামলায় গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেয়।
এই মামলায় মোট আটজন আসামি। তাদের মধ্যে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন, ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। আসামি জাফর ইকবাল, মাকসুদ কামাল, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান এবং ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এখনো পলাতক। আগামী ১২ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।
লিটনসহ ৩৪ জনের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের আদেশ : গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনসহ ৩৪ আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স কাউন্সেল) নিয়োগের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। গতকাল এই আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় মোট আসামি ৩৮ জন। এর মধ্যে খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, বোয়ালিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীরসহ ৩৪ আসামি এখনো পলাতক। সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারসহ এই মামলার চার আসামি গ্রেপ্তার আছেন। ইতিমধ্যে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।