রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাফায়েত মো. রাজু, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম হায়দার, বোর্ড সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের চৌধুরী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমেদ সোবহানী।
সৌজন্য সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রপতি গবেষণা জোরদার, উদ্ভাবন উৎসাহিত এবং আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
বুধবার (২৮অক্টোবর) বঙ্গভবনে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (ইইউবি) একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় অর্জিত অগ্রগতি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করে।
প্রতিনিধিদল জানায়, ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি এ পর্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানে ১০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয় করেছে। মেধার বিকাশ, আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
রাষ্ট্রপতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি গবেষণার প্রসার, উদ্ভাবনী কার্যক্রম জোরদার এবং উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানান।
সাক্ষাতে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।