যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার দৌড়ে আবদুল এল-সায়েদ

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আলোচনায় উঠে এসেছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ। আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হলে দেশটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হওয়ার নজির গড়বেন ৪১ বছর বয়সী এই রাজনীতিক।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষক হিসেবে পরিচিত এল-সায়েদ নির্বাচনী প্রচারে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার এসব অবস্থান প্রগতিশীল রাজনীতির সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তার ধর্মীয় পরিচয়, পারিবারিক শিকড় এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে কথিত যোগসূত্র নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও সামনে এসেছে।

রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে এল-সায়েদ সংশ্লিষ্ট অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার সমর্থকদের দাবি, ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে।

এবারের নির্বাচন মিশিগানের সিনেট আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রগতিশীল অবস্থানের গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রও হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে একজন মুসলিম প্রার্থীকে ঘিরে পরিচয়ভিত্তিক রাজনৈতিক প্রচার ভোটারদের সিদ্ধান্তে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার লড়াইয়ে আসনটি রিপাবলিকানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটদের জন্য এল-সায়েদের নির্বাচনী লড়াই দলের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য সামাল দেওয়া এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সমর্থন এক জায়গায় আনার সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি করেছে।