আইআইএফ’র প্রতিবেদন

বিশ্বের শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ৪৫তম

দ্বিতীয় স্থানে চীন। দেশটির ঋণ ২২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১০৪ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাপানের সরকারি ঋণ ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার। চার নম্বরে থাকা যুক্তরাজ্যের সরকারি ঋণ ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১০২ শতাংশ।

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ পিএম

আন্তর্জাতিক অর্থায়নবিষয়ক সংস্থা ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের (আইআইআর) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক সরকারি ঋণের পরিমাণের দিক থেকে শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ এই তালিকায় ৪৫তম অবস্থানে রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বজুড়ে মোট ঋণের পরিমাণ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা বৈশ্বিক জনসংখ্যার অনুপাতে মাথাপিছু প্রায় ৪৪ হাজার ডলার দেনার সমান। খবর আল-জাজিরা।

আইআইআর প্রতিবেদন বলছে, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারও বিভিন্ন প্রয়োজনে ঋণ নিয়ে থাকে। তবে ব্যাংক থেকে সরাসরি ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে সরকার সাধারণত বন্ড বিক্রির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। বন্ড কেনার বিনিময়ে সরকার বিনিয়োগকারীদের নির্দিষ্ট হারে সুদ দেয় এবং নির্ধারিত সময়ে মূল টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। যেমন– ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের ক্ষেত্রে ঋণ নেওয়ার ১০ বছর পর মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের দেশগুলোর মোট ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার। সরকারি ঋণের দিক থেকে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সরকারি ঋণ ৪১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১২৭ শতাংশের সমান।

দ্বিতীয় স্থানে চীন। দেশটির ঋণ ২২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১০৪ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাপানের সরকারি ঋণ ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার। চার নম্বরে থাকা যুক্তরাজ্যের সরকারি ঋণ ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার, জিডিপির ১০২ শতাংশ।

অন্যদিকে বিশ্বে সরকারি ঋণের মোট পরিমাণের দিক থেকে ফ্রান্সের অবস্থান পঞ্চম। দেশটির ঋণের পরিমাণ ৪ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। বাংলাদেশের অবস্থান এই তালিকায় ৪৫তম। দেশের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ ২০৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ৪০ শতাংশের সমান।

২০১০ সালে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের পরিমাণ ছিল ৪০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। দেড় দশকে ঋণের পরিমাণ প্রায় পাঁচ গুণ হয়েছে। তবে জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশের ঋণের বোঝা উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় এখনও কম।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত