দাঁতের হলুদ ভাব দূর করতে যেসব অভ্যাস জরুরি

দাঁত হলুদ হওয়ার পেছনে কফি-চা পান, ধূমপান, দাঁত ঠিকমতো পরিষ্কার না করা এবং বয়সজনিত পরিবর্তনসহ নানা কারণ থাকতে পারে। দাঁতের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে দাঁত সাদা করতে গিয়ে ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করলে এনামেলের ক্ষতি হতে পারে।

দাঁত হলুদ হওয়ার কারণ

দাঁতের ওপর প্লাক ও দাগ জমা, অতিরিক্ত চা-কফি পান, ধূমপান এবং অ্যাসিডযুক্ত খাবার ও পানীয় গ্রহণের কারণে দাঁতের রং বদলাতে পারে। এ ছাড়া বয়স, জিনগত বৈশিষ্ট্য, কিছু ওষুধ ও দাঁতের ক্ষয়ও বিবর্ণতার কারণ হতে পারে।

দাঁত পরিষ্কার রাখার উপায়

দাঁতের পরিচ্ছন্নতা ও স্বাভাবিক রং বজায় রাখতে দিনে দুবার ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দুই মিনিট ব্রাশ করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করতে ফ্লস ব্যবহার করুন। চা-কফি ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার সীমিত রাখুন এবং ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

ঘরোয়া উপায়ে সতর্কতা

লেবুর রস, ভিনেগার, কয়লা বা অতিরিক্ত বেকিং সোডা দিয়ে দাঁত ঘষা উচিত নয়। এসব উপাদান দাঁতের এনামেল ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। নারকেল তেল দিয়ে কুলকুচি করলেও দাঁত সাদা হওয়ার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

দাঁতের ওপরের দাগ কমাতে দাঁতের জন্য তৈরি উপযুক্ত হোয়াইটেনিং টুথপেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে দাঁতের ভেতরের রং পরিবর্তিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।

কখন দন্তচিকিৎসকের কাছে যাবেন

দাঁতের হলুদ ভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে, দাঁতে শিরশিরানি বা ব্যথা থাকলে কিংবা মাড়িতে সমস্যা দেখা দিলে দন্তচিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদারভাবে দাঁত পরিষ্কার বা হোয়াইটেনিং চিকিৎসা করা যেতে পারে।

এ ছাড়া প্রতি তিন থেকে চার মাস পর টুথব্রাশ বদলানো, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং নিয়মিত দাঁতের পরীক্ষা করানো ভালো। দাঁত অতিরিক্ত সাদা করার চেয়ে দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।