মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় সেশনে স্বাগতিকদের স্পিন বিষে নীল হয়ে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস। দিনের শুরুটা ক্যারিবীয়রা আত্মবিশ্বাসীভাবে করলেও দ্বিতীয় সেশনে বল হাতে ভেলকি দেখান স্পিনার নাঈম হাসান। সেখানে সঙ্গ দিন মেহেদি হাসান মিরাজও। একে একে সফরকারী ব্যাটারদের সাজঘরে ফিরিয়ে ২৪৫ রানেই তাদের ইনিংস গুটিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। এতে ২৭ রানের লিড নিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামার স্বস্তি পেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
এই ইনিংসের মধ্যে দিয়েই লাল বলের ক্রিকেটে ৫০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছে যান নাঈম, যা বাংলাদেশি স্পিনারদের মধ্যে দ্রততম ৫০ উইকেটের কীর্তি। নিজের ১৬তম টেস্টের ২৮তম ইনিংসে এসে এটি করে দেখালেন এই ডানহাতি স্পিনার। পরে আরও দুটি উইকেট পেয়েছেন তিনি।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই চার মেরে তেড়েফুড়ে খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিল ক্যারিবীয়রা। তবে সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মিরাজ। উইন্ডিজের দলীয় ২৩৪ রানের মাথায় অভিষিক্ত জশুয়া বিশপকে স্টাম্পড করে সাজঘরে ফেরান তিনি। এর ফাঁকে মুমিনুল হকের আরও একটি ক্যাচ মিস ও কনকাশনের কারণে মাঠ ছাড়ার ঘটনা কিছুটা ধাক্কা দিলেও সফরকারীদের থামিয়ে দেওয়ার বাকি কাজ একাই সারেন নাঈম।
৮০তম ওভারে এসে হানেন জোড়া আঘাত। দ্বিতীয় বলে শামার জোসেফ এবং ষষ্ঠ বলে জোমেল ওয়ারিক্যানকে ফিরিয়ে ওভারটাও মেইডেন দেন তিনি। সেখানে জোসেফকে আউট করার মাধ্যমেই টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ৫০তম উইকেটের তোলেন নাঈম।
আর নিজের পরের ওভারেই জাইডেন সিলসকে ফিরিয়ে উইন্ডিজের ইনিংসের যবনিকা টানেন তিনিই। ১০ ওভার ৫ বলে ৩৩ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। আর দুটি করে উইকেট নেন মিরাজ ও তাইজুল। এদিকে উইন্ডিজের হয়ে দুই ব্যাটার পেয়েছেন ফিফটির দেখা, চন্দরপল (৫৬) ও ক্যাম্পবেল (২৫)। এছাড়া গ্রিভস করেন ৪৬ রান আর ৪৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন উইন্ডিজ অধিনায়ক রস্টন চেজ।