মিরপুরে তৃতীয় দিনের সকালটা যেমন লড়াইয়ের উত্তাপে মোড়ানো ছিল, তেমনি উইকেটের খোঁজে ঘাম ঝরাতে হয়েছে স্বাগতিক বোলারদের। দিন শুরুর প্রথম সেশনেই উইন্ডিজ ব্যাটারদের দৃঢ়তায় যেন খেই হারাচ্ছিল বাংলাদেশ।
তবে শরীফুল ইসলামের ব্রেক থ্রু এবং সেশনের শেষ মুহূর্তে নাঈম হাসানের দারুণ এক এলবিডব্লিউর সুবাদে ম্যাচে ফেরার স্বস্তি নিয়েই লাঞ্চ বিরতিতে গেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রথম সেশন শেষে ৭৪ ওভার ৫ বলে উইন্ডিজের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২১৩ রান। এখনো ৫৯ রানে পিছিয়ে আছে তারা।
দিনের শুরুতে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিংয়ের মূল মেরুদণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তেজনারায়ণ চন্দরপল। তার ব্যাটিংয়ের ধরন যেন মনে করিয়ে দিচ্ছিল তাঁর কিংবদন্তি বাবা শিবনারায়ণ চন্দরপলকে। তাড়াহুড়ো না করে ডট বলের পর ডট বল খেলে উইকেটে পিলারের মতো গেঁথে ছিলেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকা এই ওপেনারের ধৈর্যের দেয়াল শেষ পর্যন্ত ভাঙেন পেসার শরীফুল। তার অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে স্লিপে শান্তর ক্যাচে পরিণত হয়ে ৫৬ রানে ফেরেন চন্দরপল।
এদিকে চন্দরপল ফেরার পর জাস্টিন গ্রিভস ও অধিনায়ক রোস্টন চেজের ব্যাটে ভর করে লিডের ব্যবধান কমাতে থাকে সফরকারীরা। গ্রিভস বেশ সাবলীলভাবে খেলতে থাকায় বাংলাদেশকে বেশ ভুগতে হয়। এর মাঝে কিপিংয়ের সময় পুরোনো কনুইয়ের চোট মাথাচাড়া দেওয়ায় ফেরার কিছুক্ষণ বাদেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন লিটন দাস, উইকেটের পেছনে ফের দায়িত্ব নেন জাকের আলি।
ফিল্ডিংয়ে কিছু মিস ফিল্ড ও মুমিনুলের একটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া হওয়ার হতাশার পরও অবশ্য শেষ রক্ষা হয়েছে। নাঈমের আগের ওভারেই ফিরতে পারতেন উইন্ডিজ অধিনায়ক চেজ। নাঈমের করা একটি বাউন্স স্পিন রুখতে গিয়ে শর্ট লেগের দিকে ক্যাচ তুলে দেন তিনি, তবে সেটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন মুমিনুল। এরপরের ওভারেই লাঞ্চ বিরতির ঠিক আগে সেই নাঈমের ঘূর্ণিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ৪৬ রান করা গ্রিভস।
উইকেটে এই মুহূর্তে টিকে আছেন অধিনায়ক চেজ (৩০*)। লাঞ্চের পর তার সঙ্গে নিয়মিত অর্ডার মানলে ব্যাটিংয়ে নামবেন শামার জোসেফ।
মেসি যেখানে শূন্য, রোনালদো সেখানে ১১ বার ‘পারফেক্ট’