নিলামে কেনা জমি দখলের পাঁয়তারা-অপপ্রচারের প্রতিবাদ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আদালতের নির্দেশে ব্যাংক কর্তৃক নিলামের মাধ্যমে ক্রয়কৃত জমির দখলের পাঁয়তারা ও অপপ্রচারের  প্রতিবাদ জানিয়েছেন জমির ক্রেতা শেখ আহমদ আফজাল বর্ণভী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শেখ আহমদ আফজাল জানান, শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও এলাকার মেসার্স সম্রাট ফিলিং স্টেশনের কাছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি শ্রীমঙ্গল শাখা  বকেয়া পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে আলিশারকুল মৌজার জেএল নং- ৩৪, আরএস খতিয়ান নং- ১৪১৪, দাগ নং- ১৭৮৬-এর ৫৮ শতক জমি নিয়ে মৌলভীবাজার অর্থঋণ আদালতে একটি মামলা (অর্থঋণ জারী মামলা নং-৩১/২০২১) দায়ের করা হয়েছিল। আদালতে  আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সম্পত্তিটির প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তিনি জমি ও তৎসংলগ্ন সম্পত্তি বৈধভাবে ক্রয় করেন। ২০২৩ সালের ১৮ মে মৌলভীবাজারের অর্থঋণ আদালত তার অনুকূলে জমি নিলামে বিক্রয়ের সার্টিফিকেট প্রদান করেন এবং একই সঙ্গে আদালত কর্তৃক নির্দেশিত হয়ে শ্রীমঙ্গল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নিবন্ধন হয়।  নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিলামে ক্রয়ের পর সরকারি সব নিয়ম মেনে তিনি জমিটির নামজারি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রমও সম্পন্ন করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ আহমদ আফজাল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আদালতের নির্দেশে শতভাগ আইনি প্রক্রিয়ায় জমি ক্রয় ও সরকারি নিয়মে নামজারি সম্পন্ন করার পরও একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল আদালতের রায় ও প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। আমি কোনো অবৈধ উপায়ে বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে নয়, দেশের প্রচলিত আইন ও আদালতের প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এই সম্পত্তি কিনেছি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিজ সম্পত্তির শান্তিপূর্ণ ভোগদখল বজায় রাখতে প্রশাসনের এবং সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করছি।"

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় বাগানবাড়ি রেস্টুরেন্টে জলিল মাহমুদ নামে এক ব্যক্তি সংবাদ সম্মেলন করে শেখ আহমদ আফজালের বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ ও নামজারি নেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন করেন।