বাংলাদেশকে সমীহ করলেও শিরোপায় চোখ ভারতের

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে আগের দিন ঢাকায় এসেছে ভুটান। মঙ্গলবার স্বাগতিক দেশে পা রেখেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। তবে ঢাকায় পা রেখে বাংলাদেশকে শক্তিশালী বলে সমীহ করলেও শিরোপা থেকে চোখ সরাতে নারাজ দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে আসা ভারত। সাফের ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার প্রত্যাশা জানিয়ে শিরোপা ধরে রাখাতে নিজেদের লক্ষ্যের কথাও জানান কোচ নওশাদ মুসা। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন কোচ নওশাদ। তিনি বলেন, ‘আমার বিবেচনায় এ মুহূর্তে বাংলাদেশই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। আশা করি, ফাইনালে তাদের মুখোমুখি হব।’

বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখলেও শিরোপা জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারত। এবার অবশ্য দলটিতে নেই জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন নিয়মিত খেলোয়াড়। অপেক্ষাকৃত তরুণ ও অনভিজ্ঞদের নিয়ে ঢাকায় এসেছে তারা। মূল জাতীয় দলের কোচ খালিদ জামিলের পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করছেন অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোচ নওশাদ মুসা। ২৮ সদস্যের দলে অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের খেলোয়াড়ই বেশি। এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ভারতীয় কোচ। তবে দল নিয়ে হতাশ নন তিনি। নওশাদের বিশ্বাস, বর্তমান দলটিরও শিরোপা ধরে রাখার সামর্থ্য রয়েছে। তিনি বলেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড়কে প্রথম ম্যাচের আগে পাচ্ছি না। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। তবে যে দলটি পেয়েছি, সেটিও খারাপ নয়। সত্যি বলতে, আমাদের শক্তিশালী দল আছে।’ ভারতের এই দলকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। ২০০৯ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে এসেছিল ভারত। সেবার ফাইনালে মালদ্বীপকে টাইব্রেকারে ৩-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে তারা। এর আগে সেমিফাইনালে স্বাগতিক বাংলাদেশকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ভারত।