ভোলায় শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২০২৭’-এর দ্বিতীয় আসর। এ প্রতিযোগিতায় ভোলা জেলায় নিবন্ধন করেছে ২০ হাজার ৮৬২ জন শিশু-কিশোর। এর মধ্যে ১২ হাজার ২৫২ জন কিশোর এবং ৮ হাজার ৬১০ জন কিশোরী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ভোলার জেলা স্টেডিয়ামের ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় ভোলা।
জেলা পর্যায়ের নিবন্ধন ড্যাশবোর্ডের তথ্যানুযায়ী, ভোলায় মোট নিবন্ধিত ২০ হাজার ৮৬২ জনের মধ্যে কিশোর ৫৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং কিশোরী ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ। উপজেলা ও পৌরসভাভিত্তিক নিবন্ধনে বোরহানউদ্দিনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ১৯৪ জন, চরফ্যাশনে ৪ হাজার ৮৯৫ জন এবং ভোলা সদরে ৩ হাজার ৪৩৬ জন নিবন্ধন করেছে। জেলার অন্যান্য এলাকাতেও শিশু-কিশোররা এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, দাবা, ব্যাডমিন্টন, মার্শাল আর্ট, ভলিবল ও টেবিল টেনিস-মোট ১০টি ইভেন্ট রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে ধাপে ধাপে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই প্রতিপাদ্যে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন ও ভোলা পৌরসভার আয়োজনে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম ছালেহ উদ্দিন, ভোলা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলহাজ রাইসুল আলম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম রবিন চৌধুরী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা সাফাতুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রকিবুল হাসান, জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাসান মিজানুর রহমান মিঠু, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার পারভেজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমিনুল ইসলাম খান এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসানুর রশীদ।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিবির প্রতিনিধি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ক্রীড়া সংগঠক ও সাংবাদিকরা ।