নতুন করে আঁকা হলো রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি

খুলনা মহানগরীর শিববাড়ী রেলস্টেশন-সংলগ্ন দেয়ালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতি নতুন করে আঁকা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) উদ্যোগে পুনরায় রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতি আঁকা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আঁকা বিভিন্ন গুণীজনের

প্রতিকৃতির মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি লেপে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় খুলনার সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বিশ্ববরেণ্য কবির প্রতিকৃতিতে কালি লেপন অসম্মানজনক ও বিদ্বেষমূলক। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে দেয়ালে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিকৃতি আঁকা হয়। এর মধ্যে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিও স্থান পেয়েছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কারা এই কাজ করেছে তা খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীতে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়। তারই অংশ হিসেবে নগরীর প্রাণকেন্দ্রে খুলনা রেলস্টেশনের পাঁচিলে বিভিন্ন গুণীজনের প্রতিকৃতি আঁকা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশে দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রতিকৃতি রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন বলেন, ‘শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের অংশ হিসেবে এই প্রতিকৃতিগুলো আঁকা হয়। পরিকল্পিতভাবে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে কালি লাগানোর ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক। আমরা দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। খুব তাড়াতাড়ি তাদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।’