থাইরয়েড বাড়ে যে খাবারে

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৩২ এএম

থাইরয়েড গ্রন্থি আমাদের শরীরের ছোট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা গলার সামনের অংশে অবস্থিত। এই গ্রন্থি থেকে নির্গত হরমোন শরীরের মেটাবলিজম, হৃদস্পন্দন, শরীরের তাপমাত্রা, ওজন, এমনকি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। এই গ্রন্থি সঠিকভাবে কাজ না করলে না হাইপোথাইরয়েডিজম (কম কাজ করা) বা হাইপারথাইরয়েডিজম (অতিরিক্ত কাজ করা), এর মতো নানা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

যে লক্ষণ দেখবেন

খাবারের পরিমাণ একই থাকলেও যদি হঠাৎ ওজন বেড়ে যায়, তা হলে থাইরয়েড কম কাজ করছে হতে পারে। আবার অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত ওজন কমে গেলে থাইরয়েড বেশি কাজ করার ইঙ্গিত হতে পারে।

পর্যাপ্ত ঘুমের পরও যদি সারা দিন অবসন্ন লাগে, কাজের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তা হলে এটি থাইরয়েডের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত চুল পড়া, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, এসবই থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে হতে পারে।

হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত বা খুব ধীর হয়ে যাওয়া থাইরয়েড সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিক চক্রে অনিয়ম, অতিরিক্ত বা খুব কম রক্তপাত, থাইরয়েডের সমস্যা নির্দেশ করতে পারে।

অকারণে উদ্বেগ, ডিপ্রেশন, খিটখিটে মেজাজ বা মনোযোগের ঘাটতি, এসবও থাইরয়েডের সঙ্গে জড়িত হতে পারে।

প্রতিকার

উচ্চমানের টাইরোসিন আমিষযুক্ত খাবার খান। টাইরোসিন দরকার হয় থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে। এটি পেতে খেতে হবে লাল মাংস, মাছ, মুরগির ডিম ও মাংস, কলা ও মিষ্টি কুমড়ার বিচি।

গয়ট্রোজেনাস খাবার যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, চিনাবাদাম, সয়াসস, ইত্যাদি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া যাবে না। রান্না করে খাবেন, কাঁচা খাবেন না। থাইরয়েডে সমস্যা থাকলে এসব খাবার খাওয়া উচিত নয়।

গ্লুটেন প্রোটিনযুক্ত খাবার খাবেন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ঠিক রাখে। এ জন্য গম, শস্যদানা, যব, বার্লি খেতে হবে।

থাইরয়েড ঠিক রাখার জন্য লিভারের সুস্থতা দরকার। লিভারের সুস্থতার জন্য ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খেতে হবে। বিভিন্ন তেলযুক্ত মাছ, কাঁচা বাদাম, অলিভ অয়েলে এটা পাওয়া যাবে।

আয়োডিনযুক্ত লবণ খাবেন।

কীটনাশক ও হেভিমেটাল যেমন মারকারি, ক্যাডমিয়াম, দস্তা ব্যবহারে সতর্ক হবেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত