দেশ রূপান্তর : সিডিএ এই নগরের ২০৫০ সাল পর্যন্ত রূপরেখা তৈরির একটি মাস্টারপ্ল্যান চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে। চলতি বছরেই যা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে যেসব প্রস্তাবনা বা গাইডলাইন রাখা হয়েছে আপনি সিটি মেয়র হিসেবে সেগুলো সমর্থন করেন কি?
ডা. শাহাদাত হোসেন : সিডিএ মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আমাদের সঙ্গে মিটিং করেছে। সেই মাস্টারপ্ল্যানে বিভিন্ন অসংগতি রয়েছে, আমাদের পক্ষ থেকে সেগুলো তাদের জানিয়েছি। একই সঙ্গে মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন তখনই সহজ হবে, যখন সিটি গভর্নমেন্ট পদ্ধতি চালু করা যাবে। সিটি গভর্নমেন্ট হলে কেন্দ্রীয়ভাবে সব সেবা ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে মনিটরিং করা সহজ হবে এবং বাস্তবায়নও হবে।
দেশ রূপান্তর : মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আপনার সুপারিশ কী?
ডা. শাহাদাত হোসেন : একটি নগরের মাস্টারপ্ল্যান হবে ১০০ বছর পরে কী হবে তা চিন্তা করে। তাই এটা হতে হবে সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত। সিডিএ যে বিল্ডিংগুলো অনুমোদন দিচ্ছে সেগুলোতে সবুজায়নের জন্য ৩০% জায়গা খালি রাখতে হবে। এই সবুজ জায়গায় কোনো পেভমেন্ট (ইটের গাঁথুনি) দেওয়া যাবে না।
এসব জায়গা দিয়ে বৃষ্টির পানি ভূ-গর্ভে রিচার্জ হবে। তাই সিডিএ’কে প্লট টু প্লটভাবে তা নিশ্চিত করতে হবে। আর তা করা গেলে বৃষ্টির ৩০% পানি মাটির নিচে চলে যাবে এবং নগরীতে জলাবদ্ধতা দুর্ভোগ কমে আসবে।
যানজট নিরসনের জন্য মাটির নিচ দিয়ে সাবওয়ে চালু করা এবং ওয়ান সিটি টু টাউন কনসেপ্টে কর্ণফুলী নদীর ওপারের এলাকাকে পরিকল্পনায় নিয়ে আসতে হবে। কর্ণফুলীর বুকে একটি চর রয়েছে, এই চরকে পর্র্যটনের আওতায় নিয়ে কেব্ল কার চালু করা যেতে পারে। এতে পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে।
ডা. শাহাদাত হোসেন
মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন