বুয়েনস আয়ার্সের সময় মঙ্গলবার রাত আটটায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর পাঁচটায়) মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষবার মাঠে নামবেন লিওনেল মেসি। প্রতিপক্ষ বেনিন। তবে তাঁর বিদায়ী ম্যাচের নানা আয়োজন শুরু হয়ে যাবে আরও আগেই। যা চলবে ম্যাচ শেষেও।
শুরুর দায়িত্ব আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় মিউজিক্যাল শো ‘উন পোকো দে রুইদো’র শিল্পীদের। বাংলায় ‘উন পোকো দে রুইদো’ মানে ‘একটু শব্দ’। শুনতে সাদামাটা লাগে, কিন্তু আর্জেন্টিনার গ্যালারির ‘একটু শব্দ’ মানে যে কী, তা ভালো জানেন যাঁরা ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে ছিলেন।
এর পরের সময়টা একে একে ভাগ করে নেবেন আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় কয়েকজন শিল্পী ও ব্যান্ড দল। তালিকায় আছেন সেবাস্তিয়ান মেন্দোসা, রোমান এল ওরিহিনাল, আমার আসুল, সান্তি কাইরো, কিউলোকুরা ও দামাস গ্রাতিস। তালিকার অনেক নামই আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী কুম্বিয়া সংগীত ঘরানার। যে গানগুলো বুয়েনস আয়ার্সের পাড়ায় পাড়ায় বাজে।
এরপর আসবে সেই মুহূর্ত, রাত আটটায় ‘হিমনো’। ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সংগীত গাইবেন ফাবিও সান্তানা। তিনি মালভিনাস যুদ্ধের (ফকল্যান্ড যুদ্ধ) সাবেক সৈনিক। বাংলাদেশে তখন ভোর পাঁচটা। শুরু হবে মেসির বিদায়ী ম্যাচ।
বিরতির সময়টুকুতে গান গাইবেন গাসপার বেনেগাস। কিন্তু আসল আয়োজন সাজানো শেষ লগ্নে। সূচি বলছে, রাত ১০টা ৩ মিনিটে আকাশ ভরে যাবে ড্রোন আর আতশবাজিতে। ১০টা ১০ মিনিটে মঞ্চে আসবেন আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী ‘লা সোলে’। ১০টা ১৫ মিনিটে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় কুয়ার্তেতো গায়ক ও গীতিকার উলিসেস বুয়েনো।
এরপর ১০টা ৩০ মিনিটে, ‘সোরপ্রেসা’। বাংলায় এর অর্থ চমক। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সেই চমকের ব্যাখ্যা দেয়নি।
এই আয়োজনগুলো আর্জেন্টিনার টিওয়াইসি স্পোর্টস চ্যানেল, গ্লোবোপ্লে, স্পোর্ট টিভি, টেলেমুন্ডোতে দেখা যাবে।
বাংলাদেশ ও এশিয়া অঞ্চুলের টিভি দর্শকরা আর্জেন্টিনা-বেনিন ম্যাচ দেখতে পারবেন ভারতীয় লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম জি নেটওয়ার্কের জি ফাইভ (ZEE5), ইউনিট৮ স্পোর্টস-১ ও ইউনিট৮ স্পোর্টস-১ এইচডি চ্যানেলে। সাবসক্রিপশন খরচ দিয়ে এগুলো দেখা যাবে।