চট্টগ্রামে প্রাক্তন শিবির নেতাদের এক প্লাটফর্মে আনছে জামায়াত

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

আগামীদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রশিবিরের প্রাক্তন নেতাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক যোগ্যতাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রাক্তন সাথী ও সদস্যদের সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াত। এ আয়োজনের মাধ্যমে অন্তত পাঁচ হাজার প্রাক্তন ছাত্রনেতাকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়াস চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আগামী ২০ অক্টোবর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে ছাত্রশিবিরের প্রাক্তন ‘সাথী’ ও ‘সদস্য’ পর্যায়ের নেতাদের এই সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা  ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রাক্তন ছাত্রনেতাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেবেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, দেশের ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রশিবিরের উত্থানের পেছনে চট্টগ্রাম মহানগরী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে। সংগঠনের প্রাক্তন সার্থী ও সদস্যদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ এখন সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই নানা কারণে দলীয় কর্মকান্ড থেকে দূরে আছেন। এ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সক্রিয়দের পাশাপাশি সিস্ক্রিয়দের ওপর সক্রিয় করার চেষ্ঠা থাকবে। 

বুধবার (৭ অক্টোবর) থেকে সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। এ ব্যাপারে সংগঠনের আইটি শাখার পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।  এছাড়া সাংগঠনিকভাবেও প্রাক্তন ছাত্রনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে সম্মেলনে উপস্থিতি নিশ্চিত করার কাজ চলছে। অন্তত : পাঁচ হাজার প্রাক্তন ছাত্রনেতা এতে অংশগ্রহণ করবেন এমনটিই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে জানান, প্রাক্তন ছাত্রনেতাদের একই প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করার এ উদ্যোগকে সার্বিকভাবে সফল করার লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তুতি চলছে। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন নেতাদের মধ্যেও এক ধরণের উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। দেশের রাজনীতিতে আগামীদের বিভিন্ন কর্মসূচী সফল করতে এবং সাংগঠনিক শক্তি ও দলীয় নেটওয়ার্ককে আরো সুদৃঢ় করতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা মনে করছি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত