কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রভাষক শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও দুই সন্তানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চর শৌলমারী ইউনিয়নের চতলাকান্দা গ্রামে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।
জানাজায় অংশ নেওয়া স্থানীয় কলেজশিক্ষক একরামুল হক বলেন, শহিদুল ইসলামের দুই সন্তান তার সন্তানের সঙ্গে পড়াশোনা করত। রিশাদ এবার ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল। তাকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য কোচিং করানোর পরিকল্পনা ছিল পরিবারের। কিন্তু দুর্ঘটনায় সব শেষ হয়ে গেল।
স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হারিয়ে শহিদুল ইসলাম বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। তিনি কোনো কথার বলার পরিস্থিতিতে ছিলেন না বলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মালবাহী ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজির পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এসময় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কের রৌমারী উপজেলার শিবেরডাঙ্গি ও সাইদাবাজারের মাঝামাঝি দারুল আরকাম মাদরাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন প্রভাষক শহিদুল ইসলামের স্ত্রী লিপি বেগম (২৬), ছেলে রিশাদ মিয়া (১২) ও মেয়ে তুবা (৭)।