ভারতের মুম্বইয়ের জহুতে রবিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাইকে করে আসা তিন দুষ্কৃতী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর গুলি চালায়। এই হামলায় অভিনেতা অক্ষত থাকলেও তার চালক ও এক অটোচালক আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে বলি পাড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক, উদ্বেগ। কিন্তু এই হত্যাচেষ্টার নেপথ্যে কেন বার বার উঠে আসছে সুপারস্টার সালমান খানের নাম? খবর এনডিটিভি'র।
সূত্র জানিয়েছে, জহুর পুষ্প পার্কের কাছে তিন বন্দুকবাজ আচমকা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। অভিনেতা জ্যাকি শ্রফের পুত্র টাইগার শ্রফের ওপর এই হামলার আগে কোনো ধরনের হুমকি আসেনি। গোলাগুলির ঘটনায় অভিনেতার চালক ছাড়াও ঘটনাস্থলের কাছে থাকা এক অটো-রিকশার চালক আহত হন।
দ্রুত তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে মুম্বই পুলিশ জহুতে ১২টি বিশেষ দল মোতায়েন করেছে। ইতিমধ্যে একটি মামলা রুজু করে হামলাকারীদের গ্রেফতারে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, এই হামলার দায় স্বীকার করেছে কুখ্যাত লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং।
অনিল পণ্ডিত নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ওই গ্যাংয়ের সদস্য দাবি করে একটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন। অডিওতে জানানো হয়, অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই টাইগার শ্রফকে নিশানা করা হয়েছে।
প্রকাশিত অডিও বার্তার একটি অংশে বলা হয়, 'আমি অনিল পণ্ডিত, লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ছোট ভাই। টাইগার শ্রফের সঙ্গে যা ঘটেছে, তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব আমি এবং আমার বড় ভাই হরমান সিন্দু নিচ্ছি। আমরা তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সে কথা শোনেনি।'
সংশ্লিষ্ট গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে আরও হুমকি দেওয়া হয়েছে যে, তাদের সঙ্গে সমঝোতা না করে বা সালমান খানের সঙ্গে কাজ চালিয়ে গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এটিকে তাদের 'শেষ সতর্কবার্তা' হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া সালমান খান যদি লরেন্স বিষ্ণোই ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা না চান, তবে তাকে ও তার পুরো পরিবারকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে চরম হুমকি দেওয়া হয়েছে।