ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও জাদুঘর দেখে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন, তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসাইন, রাজনৈতিক কর্মকর্তা অ্যালিস কেনেডি, দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্নিমা রায়, নিরাপত্তা কর্মকর্তা অ্যারিক ওয়েলস, মার্কিন এম্বাসির ফরেন সার্ভিস ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটর শেখ শিবলী প্রমুখ।

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (জাদুঘর) পরিদর্শন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। এ সময় তিনি বাংলার প্রাচীন স্থাপনা ঐতিহাসিক পানাম নগরী ও লোক শিল্প জাদুঘর  দেখে মুগ্ধ হন। 
 
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে তিনি সোনারগাঁওয়ের দুটি ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের কারুপল্লীতে অবস্থিত জামদানী পল্লী পরিদর্শন করেন তিনি। সকাল সাড়ে ৮ টায় তিনি প্রথমে তার প্রতিনিধি দল নিয়ে ঐতিহাসিক পানাম নগীর বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। পরে সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেন।
 
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন, তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসাইন, রাজনৈতিক কর্মকর্তা অ্যালিস কেনেডি, দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্নিমা রায়, নিরাপত্তা কর্মকর্তা অ্যারিক ওয়েলস, মার্কিন এম্বাসির ফরেন সার্ভিস ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটর শেখ শিবলী প্রমুখ।
 
এসময় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহববুল আলম, পানাম নগরীর সহকারী কাস্টোডিয়ান তানজিলুর রহমান, সোনারগাঁও থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিকসহ বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ও পানাম নগরীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
 
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক কাজী মাহববুল আলম বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জামদানী পল্লী ঘুরে জামদানী শিল্পীতের হাতের বুনতে তৈরি জামদানী শাড়ির কারুকাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সময় স্বল্পতার কারনে বড় সরদার বাড়ি ও ফাউন্ডেশনের জাদুঘরে প্রবেশ করেননি। পরবর্তীতে আবারও এখানে আসবেন বলে জানিয়েছেন।
 
পানাম নগরীর সহকারী কাস্টোডিয়ান তানজিলুর রহমান বলেন, অল্প সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পানাম নগরীতে অবস্থান করেন। তিনি তার পরিবার নিয়ে পানাম নগরী ঘুরতে এসেছেন। বলা যায়, এটা একটা পারিবারিক সফর। তিনি ৩৩ নম্বর ভবন থেকে শুরু করে পানাম নগরীর বিভিন্ন ভবন ঘুরে দেখেন। পানাম নগরীর পরিবেশ ও পরিচ্ছনতা নিয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত