চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে ইউজিসির ৫ সদস্যের কমিটি

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ এএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) বিদ্যমান অচল অবস্থা নিরসন এবং শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষাকার্যক্রম পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ৫ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এই কমিটি গঠন করা হয় বলে দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক জামিনুর রহমান।

জামিনুর রহমান বলেন, চুয়েটে বিদ্যমান অচল অবস্থা নিরসন এবং শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালুর লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে ইউজিসি। কমিটিতে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনকে আহ্বায়ক ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসানকে সদস্য সচিব এবং বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সদস্য করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির আহ্বায়ক ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন দেশ রূপান্তরকে বলেন, কমিটি গঠনের বিষয়টি কিছুক্ষণ আগে জানতে পেরেছি। আনুষ্ঠানিক চিঠি পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে রবিবার চুয়েটের অচল অবস্থা নিরসন এবং শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে ইউজিসিকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত ও পরামর্শক কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চিঠিতে বলা হয়, চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশমালা জরুরিভিত্তিতে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য করা হয়। ওইদিন রাতেই শিক্ষার্থীরা সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহাল দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে যোগ দিয়ে টানা কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে যোগদান করেন নতুন উপাচার্য। আন্দোলনের মধ্যে ১৮ দিন পর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ৩০ ঘণ্টা নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় তিনি অবরুদ্ধ দশা থেকে মুক্তি পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে সার্কিট হাউজে ফিরেই শুক্রবার সন্ধ্যায় অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা করেন উপাচার্য।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত