'কোকো জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স' উদ্বোধনে করবেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর নামে ‘কোকো জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স’ আয়োজন করতে যাচ্ছে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। ২৩-২৫ অক্টোবর ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই আসর। শুরুর দিনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের। বুধবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপন।

দেশের ৫৭টি জেলা ও সংস্থার ৫৬৫ অ্যাথলেট এবারের আসরে অংশ নিচ্ছেন। নারী ও পুরুষ দুই বিভাগেই ৪০টি ইভেন্টে পদকের জন্য লড়বেন তারা। যার ম্েযধ পুরুষদের ২২টি এবং নারীদের ১৮টি ইভেন্টে হবে পদকের লড়াই। দৌড়ের ইভেন্টগুলোর সময় ও ফলাফল নির্ভুলভাবে নির্ধারণে ব্যবহার করা হবে ইলেকট্রনিক ফটোফিনিশিং মেশিন। পাশাপাশি আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি ইভেন্টের ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। প্রতিযোগিতার সাতটি থ্রো ইভেন্ট ২৩ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। ম্যারাথন হবে ২৪ অক্টোবর শনিবার ভোর ৫টায় পূর্বাচলের ৩০০ ফুট সড়কে। 

পদকজয়ীদের জন্য থাকছে আর্থিক পুরস্কার। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী অ্যাথলেটদের যথাক্রমে ছয় হাজার, পাঁচ হাজার ও তিন হাজার টাকা দেওয়া হবে। রেকর্ড গড়া অ্যাথলেটদের জন্য থাকছে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার। এ ছাড়া প্রতিযোগিতার সেরা অ্যাথলেটকে এক্সপলয়েট কোম্পানির পক্ষ থেকে দেওয়া হবে ১০০ সিসির একটি ইলেকট্রিক বাইক। ফেডারেশনের তিন সদস্যের কমিটি সেরা অ্যাথলেট নির্বাচন করবে। দেশের অ্যাথলেটিক্সের ইতিহাসে এটাই প্রথম সেরার পুরস্কার। সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেশনের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবের বলেন, ‘দেশের অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ। অ্যাথলেটিকসের জন্য স্থায়ী ভেন্যু নির্মাণের উদ্যোগও চলছে। আপাতত পল্টনে হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের পাশে কয়েক কাঠা জমি ভেন্যুর জন্য বিবেচনায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ১৩টি জেলায় প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও জেলাকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।’

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলী ইমাম তপন জানান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আসন্ন দক্ষিণ এশীয় গেমসে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১০টি পদক, যার মধ্যে দুটি স্বর্ণপদক জয়ের প্রত্যাশা করছে ফেডারেশন। এই লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানসম্পন্ন অ্যাথলেট গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতার টাইটেল স্পন্সর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর আনোয়ার ইস্পাত। প্লাটিনাম ও গোল্ড স্পন্সর হিসেবে পাশে রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

 
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত