দেশের চেয়েও এই কোম্পানিগুলোর সম্পদ বেশি

একটি দেশ ছোট হলেও কোনো একটি কোম্পানির চেয়ে এর সম্পদ কম হবে সাধারণ বিবেচনায় এটা অবিশ্বাস্য ঠেকতে পারে। বিশ্বাস করতে কঠিন হলেও এমন কয়েকটি কোম্পানি আছে। এসব কোম্পানির বাৎসরিক আয় এতো বেশি যা কিছু দেশের জিডিপিকেও ছাড়িয়ে যায়।

ওয়ালমার্ট
যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইলার কোম্পানি ওয়ালমার্ট। গত ২০১৭ সালে এই কোম্পানিটির বার্ষিক মুনাফা ছিল ৪৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সম্পদের দিক থেকে এই কোম্পানি ইউরো জোনের ষষ্ঠ অর্থনীতির দেশ বেলজিয়ামকে (জিডিপি ৪৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) পেছনে ফেলে দিয়েছে। যদি ওয়ালমার্ট কোনো দেশ হতো, তাহলে বৈশ্বিক সূচকে এটি ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হতো।

ভক্সওয়াগন
জার্মানির মোটরযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগন কোম্পানির বার্ষিক আয় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির জিডিপি থেকেও বেশি। গত বছর কোম্পানিটির আয় ছিল ২৭৬ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ২০১৬ সালে চিলির জিডিপি ছিল ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল এবং কলম্বিয়ার চেয়ে চিলির অর্থনীতিকে স্থিতিশীল মনে করা হয়। ভক্সওয়াগন কোনো দেশ হলে, বৈশ্বিক সূচকে এটি ৪৩তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হতো।

অ্যাপল
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রযুক্তি জায়ান্ট কোনো দেশ হলে, এটি বৈশ্বিক সূচকে ৪৭তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হতো। গত বছর ২২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে অ্যাপল। অথচ ২০১৬ সালে পর্তুগালের জিডিপি ছিল ২০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অ্যামাজন
অনলাইন রিটেইলার অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানি হিসেবে অ্যাপলকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে। কোম্পানিটি ২০১৭ সালে ১১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। কোম্পানিটির আয় কুয়েতের জিডিপি (১১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) কে ছাড়িয়ে গেছে। আর অ্যামাজন সিইও জেফ বেজোসের সম্পদের পরিমাণ ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অ্যালফাবেট
গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট গত বছর পুয়ের্তো রিকোর জিডিপির চেয়ে বেশি আয় করেছে। গত ২০১৭ সালে দেশটির জিডিপি ছিল ১০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে একইসময়ে অ্যালফাবেটের আয় ছিল ১১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশ হলে বৈশ্বিক সূচকে ৫৯তম বৃহৎ অর্থনীতির মালিক হতো অ্যালফাবেট। আরটি ডটকম।