সামাইরা মেথার বয়স এখন ১০ বছর। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি হাব সিলিকন ভ্যালিতে তার বেড়ে ওঠা। প্রযুক্তির শহরে বেড়ে ওঠেছে একেবারে প্রযুক্তিবিদ হয়েই। ছয় বছর থেকেই সামাইরা শুরু করে কোডিং। কিড-কোডার হিসেবে সাড়া ফেলে দিয়েছে সে।
নিজের প্রতিভার পরিচয় আট বছরে বয়সেই দিয়েছে সামাইরা। অন্য শিশুদের কোডিং শেখাতে ‘কোডারবানিজ’ নামে একটি গেম তৈরি করে সে। তার এই গেম জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়। এর ওপর শিশুদের জন্য সে অনেকগুলো ওয়ার্কশপও করে। আর এসব ওয়ার্কশপের অধিকাংশই আয়োজন করে প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল।
কোডার হিসেবে সামাইরার কাজে মুগ্ধ গুগল। তাকে গুগলের স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কী-নোট স্পিকার হিসেবে রাখা হয়। বড় হলে গুগলে চাকরি নেয়ারও প্রস্তাব দেয়া হয়েছে উদীয়মান এই প্রোগ্রামারকে।
দক্ষ প্রোগ্রামার হিসেবে নিরবেই তার নামডাক ছড়িয়ে পড়ে, বলতে গেলে অনেকটা পূজনীয় হয়ে ওঠে সে। সামাইরা কোডারবানিজ কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। তার এই গেম জাতীয়ভাবে স্বীকৃত হয়েছে। প্রায় এক ডজনের মতো ভ্যালি কনফারেন্সে কী-নোট স্পিকার হিসেবে অংশ নেয় সামাইরা।
বোর্ড গেম তৈরির পর ২০১৬ সালে থিঙ্ক ট্যাঙ্ক লার্নিং পিচফেস্ট-এ দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী হিসেবে আড়াই হাজার ডলার পুরস্কার জিতে নেয় সামাইরা।
গুগল সদরদপ্তরে বিভিন্ন ওয়ার্কশপের ফাঁকে এই প্রযুক্তি জায়ান্টের চিফ কালচারাল অফিসার স্টেসি সুলিভানের সঙ্গে কথা হয় তার। সামাইরা বলে, ‘গুগল সদরদপ্তরে টানা ওয়ার্কশপ শেষ হলে আমরা এক ঘণ্টা কথা বলি। তিনি (স্টেসি) বলেছেন, আমি খুব ভালো করছি। কলেজে পড়াশোনা শেষ হলে চাইলে আমি গুগলে চাকরি করতে পারি।’