মুন্সীগঞ্জ সদরে র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যাদের শীর্ষ সন্ত্রাসী বলছে র্যাব। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনায় র্যাবের দুই সদস্য গুলিবিদ্ধসহ পাঁচজন আহত হয়েছে বলে র্যাব ১১ এর এএসপি এনায়েত হোসেন মান্না জানান।
নিহতরা হলেন খসরু মিয়া ওরফে ল্যাংড়া খসরু (৩৭) ও মো. সুমন ওরফে কানা সুমন (৩৫)। সুমন জেলা শহরের মধ্য কোর্টগাঁও এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে এবং খসরু বল্লাল বাড়ি এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তাদের দু’জনের বিরুদ্ধে অন্তত ১০টি করে মামলা রয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।
এই অভিযানে নেতৃত্বদানকারী র্যাব ১১ এর এএসপি এনায়েত হোসেন মান্না বলেন, দুপুর সোয় ২টার দিকে একটি প্রাইভেটকার যোগে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ খসরু ও সুমন সদরের বল্লাল বাড়ি মসজিদের সামনে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালালে তারা র্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় র্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে সন্ত্রাসী কানা সুমন মাসজিদের সামনের রাস্তায় ও ল্যাংড়া খসরু পালানোর সময় বাড়ির ভেতরে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
এনায়েত হোসেন আরও বলেন, র্যাবের ডিএডি মোকারম হোসেনের হাতে ও ল্যান্স নায়েক সাফায়েতের হাতে ও শরীরে গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও ৩৯টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গুলিবিদ্ধি দুই র্যাব সদস্যকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে। আহত অপর তিন র্যাব সদস্যকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।