আগামী রোববার অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার চাইলে ভোট গণনায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন এলিট ফোর্সটির মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
ডিজি জানান, সারা দেশে নির্বাচনী নিরাপত্তায় র্যাবের ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় র্যাব ও আর্মি এভিয়েশনের চারটি হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গুজব প্রতিরোধে গতকাল থেকে র্যাবের ‘সাইবার নিউজ ভেরিফিকেশন সেন্টার’ চালু করা হয়েছে।
নির্বাচন উপলক্ষে সারা দেশে র্যাবের ব্যবস্থা নিয়ে বেনজীর বলেন, ‘আজই (গতকাল) প্রচারের শেষ দিন। কাল সকাল থেকে সকল ধরনের নির্বাচনী প্রচার কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। এই নির্বাচন উপলক্ষে গত এক বছর ধরে অবৈধ অস্ত্র বিস্তার রোধ, সন্ত্রাস ও জঙ্গি হুমকি প্রতিরোধে র্যাব নিরলসভাবে কাজ করেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনী বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মিথ্যা তথ্যের অপপ্রচার ও গুজব শুরু হয়েছে। এসব অসত্য গল্পের অপপ্রচার শুরু করেছে সাইবার অপরাধীরা। এসব অপপ্রচার প্রতিরোধে আজ থেকে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে র্যাবের ‘সাইবার নিউজ ভেরিফিকেশন সেন্টার’ চালু হয়েছে। সাইবার ওয়ার্ল্ডে যে কোনো নিউজের সন্দেহ হলে তার লিঙ্ক পাঠিয়ে দিলে সেই নিউজের সত্যতা যাচাই করে র্যাবের মনিটরিং টিম ফিডব্যাক জানাবে।’
র্যাবের ভূমিকা নিয়ে ডিজি বলেন, ‘নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে র্যাব সারা দেশে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী র্যাব ও সেনাবাহিনীর চারটি হেলিকপ্টার ব্যবহার হবে। জরুরি প্রয়োজনে দেশের যেকোনো প্রান্তে এই চারটি হেলিকপ্টারের বিশেষ বাহিনী সর্বোচ্চ এক ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাবে। এসব হেলিকপ্টারে ২০ প্লাটুনের ২০০ সদস্যের স্পেশাল বাহিনীর সদস্যরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকবে।’
বেনজীর আহমেদ জানান, বিধি অনুযায়ী প্রিসাইডিং অফিসার চাইলে ভোট গণনায় সহায়তা করবেন র্যাব সদস্যরা। সারা দেশে র্যাবের ৫৭টি সেন্টার থাকবে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত মোবাইল ও পেট্রল টিমের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।