বরিশালে নিখোঁজের ১২ দিন পর গিয়াস উদ্দিন (৩৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি ক্ষুদ্রঋণ আদায়কারী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। তার বাড়ি মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের চর সাহেবরামপুর গ্রামে।
সোমবার দুপুর ১২টায় বরিশালের মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের চর সাহেবরামপুর গ্রামের কাশবন থেকে ক্ষতবিক্ষত ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া মুলাদী উপজেলার সেলিমপুর ফাড়ি ইনচার্জ রুহুল কাদরী বলেন, কাশবনে লাশটি বেশ ক’দিন আগে হয়ত পড়েছিল। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের মামা মো. মহসিন বলেন, দুই সন্তানের জনক গিয়াস উদ্দিনকে গত ২৬ ডিসেম্বর রাতে পাশের গ্রাম সেলিমপুরের স্থানীয় সালাউদ্দিন, মোকসেদ, দুলাল ধরে নিয়ে যায়। এরপর সে নিখোঁজ ছিল।
তিনি জানান, ৩১ ডিসেম্বর নিহত গিয়াসের স্ত্রী রিমা বেগম মুলাদী থানায় গিয়ে অভিযোগ দেন। কিন্তু অভিযোগ না নিয়ে চার দিন পর তা জিডি হিসেবে গ্রহণ করেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বাড়ির পাশের কাশবনে গিয়াসের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান বলেন, নিহত গিয়াস উদ্দিন এলাকায় একটি সমিতি করেন। স্থানীয়রা তার কাছে ৬০/৭০ লাখ টাকা পান।
তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বর নিহতের স্ত্রী রিমা বেগম থানায় এসে তার স্বামী (গিয়াস) নিখোঁজ বলে অভিযোগ করেন। এ সময় পাওনাদাররাও থানায় এসে পাল্টা অভিযোগ করেন। এ অবস্থায় পাওনাদারদের আদালতে মামলা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে ৫ জানুয়ারি রিমার অভিযোগ জিডি আকারে গ্রহণ করা হয়।