নোয়াখালীতে তরুণীকে ধর্ষণের পর কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর সুধারাম উপজেলায় বাড়ি থেকে নিখোঁজ এক তরুণীকে বীভৎসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত পারভীন আক্তার (১৯) ধর্মপুর ইউনিয়নের চরশুল্লকিয়া জহুরুল হকের মেয়ে। গত বুধবার রাতে নিজবাড়ির পাশ থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সুরতহাল প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে নোয়াখালী সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাছের জনি বলেন, তার পেটে, বুকে, নিতম্বে একাধিক ছুরিকাঘাত আছে। তরুণীকে শুধু জবাই-ই নয়, তার যৌনাঙ্গ ও পায়ের রগও কেটে ফেলা হয়েছে।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ময়নাতদন্তকারী দলের এক চিকিৎসক জানান, তরুণীর শরীরে ব্যক্তির ধর্ষণের আলামত আছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপানো হয়েছে। পায়ের রগ ও গলা কাটার কারণে অধিক রক্তক্ষরণে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

তরুণীর বাবা জহুরুল বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় তিনি স্থানীয় বাজারে যান। তখন তার স্ত্রীও পাশের বাসায় বেড়াতে যান। তারা বাড়ি ফিরে মেয়েকে না পেয়ে প্রতিবেশীদের ডেকে বাড়ির পাশে খুঁজে পান। পরে তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে সুধারাম থানায় হত্যামামলা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাছের বলেন, ওই তরুণী ফোনে দীর্ঘক্ষণ কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছেন। এই মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তিনি অন্য মোবাইল নিয়ে বাগানে গিয়ে কথা বলেন। রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা তার পূর্বপরিচিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।